বান্দরবান; দুর্গম কিন্তু অসম্ভব মায়াবী। প্রথম যাওয়া ২০১০ এ পাহাড় সম্পর্কে কোন ধারনাই নেই, রুমা দিয়ে প্রবেশ; কেওকাড়াডং তাজিংডং হয়ে থানচি, লাগলো ৪ দিন। অমানবিক খাটুনি, রোদ, বৃষ্টি, যোক, তৃতীয় দিন বলেই ফেললাম আর জীবনে আসবো না; সঙ্গীরা সবাই ঠাট্টা করল। বাড়ী ফেরার পর শরিরের প্রতিটি joint এবংপ্রতিটি point এ বেথা মনে করিয়ে দিতে লাগলো পাচিংদার ভাঙ্গা চৌকিতে সুয়ে ঝরের তান্ডব অনুভব করা, কেপিটেল পাহাড়ের পেঁচানো উঁচু নিচু পথ রাতের বেলা চাঁদের আলোয় দাড়িয়ে থাকা পাহাড়ের চূঢ়া। সেরকর পাড়ার কারবারির ঘরে কবিতা সন্ধা. আর চাঁদ যখন মাথার উপর স্কুল ঘর থেকে সামনের দৃশ্যা দেখে মনে হোল যেনো কেও নাটকের মঞ্চ তৈরি করে রেখেছে। নিরবতা ভেঁঙ্গে এখনই বাদ্য বাজবে আর মঞ্চে উপস্থিত হবে অভিনেতারা। ৩ মাস পার হতে না হতেই কে যেন ডাকতে লাগলো শুরু হয়ে গেল পরেরবারের প্রস্তুতি এভাবেই আরো পাঁচবার। সামনে আবার ঈদের ছুটি আবার কে যেনো ডাকছে!