সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বান্দরবান দুর্গম কিন্তু অসম্ভব মায়াবী

বান্দরবান; দুর্গম কিন্তু অসম্ভব মায়াবী।  প্রথম যাওয়া ২০১০ এ পাহাড় সম্পর্কে কোন ধারনাই নেই, রুমা দিয়ে প্রবেশ; কেওকাড়াডং তাজিংডং হয়ে থানচি, লাগলো ৪ দিন। অমানবিক খাটুনি, রোদ, বৃষ্টি, যোক, তৃতীয় দিন বলেই ফেললাম আর জীবনে আসবো না; সঙ্গীরা সবাই ঠাট্টা করল। বাড়ী ফেরার পর শরিরের প্রতিটি joint এবংপ্রতিটি point এ বেথা মনে করিয়ে দিতে লাগলো পাচিংদার ভাঙ্গা চৌকিতে সুয়ে ঝরের তান্ডব অনুভব করা, কেপিটেল পাহাড়ের পেঁচানো উঁচু নিচু পথ রাতের বেলা চাঁদের আলোয় দাড়িয়ে থাকা পাহাড়ের চূঢ়া। সেরকর পাড়ার কারবারির ঘরে কবিতা সন্ধা. আর চাঁদ যখন মাথার উপর স্কুল ঘর থেকে সামনের দৃশ্যা দেখে মনে হোল যেনো কেও নাটকের মঞ্চ তৈরি করে রেখেছে। নিরবতা ভেঁঙ্গে এখনই বাদ্য বাজবে আর মঞ্চে উপস্থিত হবে অভিনেতারা। ৩ মাস পার হতে না হতেই কে যেন ডাকতে লাগলো শুরু হয়ে গেল পরেরবারের প্রস্তুতি এভাবেই আরো পাঁচবার। সামনে আবার ঈদের ছুটি আবার কে যেনো ডাকছে!

সময়ের সাথে জীবন কি রঙ বদলায়? নাকি রঙ হারায়?

তখনও চিপ (জুলফি/কলি) গজায় নাই ঠিক ঠাক মত। তাতেই কানের পাশের লোম টোম ছাইটা ছুইটা খুর দিয়ে কাইটা বড় চিপ রাখতে বলতাম নাপিতকে। আবার বাসায় আইসা দেখতাম ক্যামন হইছে। কোনবার ডান দিকে ব্যাকা করে তো পরের বার বাম দিকে ব্যাকা করে , কখনও সোজা , কখনও রোনালদোর মত চিকন করে তো পরের বার দেল পিয়েরো ' র মত মোটা। চুল কাটাইতাম বেকহ্যামের মত কইরা তা মনে হয় এক যুগ আগের কাহিনি। আরেকটু মোডিফাইড ভার্শন ছিল রোনালদোর মত। ০৭-০৮ সিজনে রোনালদোর স্টাইল তখন পিছনের চুলেও স্পাইক। দাঁড়ায় থাকে! সেই চুল করতে , কত দিন ধরে পিছনের চুল বড় রাখছি। সেই চুল ভাজ করে সটান হয়ে বালিশের উপর শুয়ে থাকছি কত ঘন্টা! আবার কখনও ক্যাসিয়াস মার্কা লেয়ার কাটও মারছি। ৭/-৮ এ থাকতে লিন্‌কিন পার্ক ছিল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ব্যান্ড। তো কি করা যায় ? মনে চাইলেই এক পলকে চেস্টার হয়ে যাওয়া যায়! তাতে স্কুলেও সুবিধা , আবার পার্টেও একশতে একশ! কত রঙ ' ই না দেখাইলাম জীবনে।   আর এখন চিপ ঘন হইছে , অথচ দাড়ির মিলে মিশে একাকার। চিপের কোন অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যায় না মুখে। কাটার দিকে খেয়ালও নাই। তাঁর কোন শেইপ নাই , কিচ্ছু নাই। স্বেচ্ছায় আকায় বাকায় থাকে। কে ...