সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

love লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভালবাসার সাথে টাকার সম্পর্ক নেই

এক ব্যাচ সিনিয়র এক ভাইয়ের সাথে দেখা হল সেদিন। চেহারা শুকিয়ে গেছে, চোখ কোটরে ঢুকেছে। ভালবেসে বিয়ে করেছিল, কোর্ট ম্যারেজ। পরিবার মেনেও নিয়েছিল। নবম মাসের মাথায় ডিভোর্স দিয়েছে। ডিভোর্স হয়েছে উনি নিজেও জানতেন না। খবর টা শুনেছে অন্যের কাছে। একটা বিশাল অপরাধ করেছিলেন উনি জুলাইতে এফসিপিএস চান্স হয় নাই, 35 তম বিসিএস প্রিলি হয় নাই।  35 তম বিসিএস রিটেন দেওয়া রংপুর মেডিকেলের এক ছেলের সাথে নতুন করে শুরু করেছে মেয়েটা। কারো চাই টাকা, আর কারো চাই স্ট্যাটাস। ভালবাসা এখানে সান্তনা । ভাইটাও এখন সান্তনা পায়। মেয়েটির উপর তার কোন অভিযোগ নেই। " ও ভেবেছিল আমি ভাল মেডিকেলে পড়ি, অনেক ব্রিলিয়ান্ট কেউ। আমি যে গড় পড়তামানের স্টুডেন্ট পরে বুঝেছে । বোঝার পর চলে গেছে। ওর কোন দোষ নেই।" এভাবেই বলেছিলেন উনি। ..... আপনি পুরুষ মানুষ হয়েছেন, আর আপনার বিসিএস নাই, এফসিপিএস নাই আবার টাকাও নাই। ভুলেও নিজেকে পুরুষ ভাববেন না। যেদিন বউ চলে যাবে সেদিন ই বুঝবেন নিজেকে ভুল জেনেছেন। 'ভালবাসার সাথে টাকার সম্পর্ক নেই' এই কথা যে বলে তার দুই গালে কষে থাপ্পড় দিন। নিকৃষ্টতম মিথ্যাটি সে আপনাকে বলেছে। .......

পরগাছা কন্যাগণ

কন্যাগণ, যদি তোমরা এমন কোন ছেলেকে বিবাহ করিবার আশা পোষণ করিয়া থাকো, যাহাকে আজকে সমাজে সবাই সফল বলিয়া চিনিয়াছে, যে নিজের অদম্য চেস্টায় নিজের আজকের অবস্থানে পৌছিয়াছে, তবে অবিলম্বে সে আশা বাদ দাও। তোমাদের মাঝে এমন অনেক নমুনা আছে যারা কিনা সারাজীবন তাহাদের পিতার কল্যানে ভোগবিলাসে জীবন কাটাইয়া বিবাহের কালে আসিয়া এমন পাত্র খোজে যাহারা কিনা তাহাকে অধিকতর আরামে রাখিতে পারিবে। যে কন্যার একটা ছোট শহরে নিজে চলার যোগ্যতা নাই তাহাকেও দেখা যায় নিউইয়র্ক কিংবা টেক্সাসের মত শহরে গিয়া তাহার ব রের ঘাড় ভাঙিয়া খাইতে আর ফুটানি দেখাইতে। তোমাদের মত সুবিধাবাদী কন্যাগণের জন্য এখনও অনেক নির্বোধ পাণিপ্রার্থী সমাজে খুজিয়া পাওয়া যায় বলিয়াই তোমরা এখনও টিকিয়া আছো। তবে আশার বিষয় হইল সেসব নির্বোধদের সংখ্যা অচিরেই কমিয়া আসিবে। শেষকথা হইল যে, যদি নিজের জীবনে সুযোগ্য কাউকে চাও, তবে নিজেকেও তাহার যোগ্য করিয়া গড়িয়া তোল। শুধু নিজের চামড়ার রঙ আর বাতুলতা দিয়ে আর কতকাল চলিবে? আর কারো সামনে না হোক, আয়নার সামনে দাড়াইয়া তো নিজের ওপর নিজেরই লজ্জা হওয়া উচিত। আর কতকাল পরগাছা হইয়া বাচিয়া থাকিবে? -Reza Chowdhury

হ্যাপি ভ্যালেন্টাইনস ডে

মানিব্যাগ চেক করে দেখলাম টাকা আছে শ ’ তিনেক! ফারাহ একবার অভিযোগ করছিলো বিয়ের সময় তাকে একটা হাত ঘড়ি পর্যন্ত দেইনি! অনেকদিন ধরে ভাবতেছি একটা হাত ঘড়ি কিনে দিবো। এই ভ্যালেন্টাইনস ডে ভালো একটা সুযোগ। কিন্তু টাকা-পয়সা বেশি নাই। অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে দেয়া যায় , কিন্তু সেটি করলে মাসের বাকি দিনগুলা চলার জন্য ফারাহ ’ র বাপের শরনাপন্ন হতে হবে। ফারাহও রেগে যাবে- মাস চলার টাকা নাই , ঘড়ি কিনতে কে বলছিলো! সন্ধ্যায় ফুলের দোকানে গিয়ে গোলাপ আর অন্যান্য ফুল দিয়ে একটা ষ্টিক বানিয়ে নিলাম। আহ্‌ , ভালোবাসা! ষ্টিকটা ফারাহ না দেখে মতো লুকিয়ে রেখে বাসায় ঢুকলাম। বাথরুমে হাত-মুখ ধুতে ধুতে মিন্টুর খোঁজ নিলাম। মিন্টু ওর নতুন গার্লফ্রেন্ডকে হীরার লকেট কিনে দিছে। ফারাহ রুম থেকে বললো , “ জানো , আমার কাজিনকে ওর হাসবেন্ড ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষ্যে গোল্ড এর নেকলেস কিনে দিছে! ” আমার মাথায় ঝিম ধরলো। সে বলে যাচ্ছে তার কাজিন , বান্ধবী এদের জামাইরা বিভিন্ন ওকেশন কি কি গিফট দেয়! তারপর সে বললো , “ আর কতোগুলা টল্টু হাসবেন্ড আছে বউকে একটা-দুইটা গোলাপ ধরিয়ে দিয়ে ভালোবাসার আঁতলামি করে , তারচেয়ে তোমার মতো কিছু না দিয়ে ভালোব...

পরিবার-ভালবাসা-রেস্পেক্ট

পরিবার মানে আমরা বাবা মা ভাই বোনকে নিয়ে বুঝিয়ে থাকি, পরিবারটা সুখের হয় যখন রেস্পেক্ট থাকে ভালবাসা থাকে। মেয়ের বিয়ের বেলায় বাবা মায়ের অনেক দায়িত্ব, অনূরুপ ছেলেকে বিয়ে করাতে গেলেও হাজার চিন্তা। এখনকার ছেলে মেয়েদের পছন্দ থাকে, অনেকের থাকে না, আমি মনে করি যার থাকে না সে অভাগা। জীবনে ১বার প্রেম করে হারিয়েছি, ২য় বার আর সেই পথে পা মাড়াইনি। নাহ, সেটা মনে হয় আমার দ্বারা হবে না করতে করতে ২য় বার আবারো সেই ভালো লাগা। নাহ এটাকে প্রেম বলবো না- ৬মাসে ১ বছরে দেখা, কথা নাই, যোগাযোগ নাই এটাকে প্রেম বলাটা বেমানান। একদিন হটাৎ করে ফ্রেন্ড থেকে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেলাম, সেই থেকে একটু একটু করে কথাবার্তা হল- নাহ সেই ভালো লাগা বেশি দিন টিকে নি। হারিয়ে গেলো। আবার হতাশা। হটাৎ একদিন যখন তাকে খুঁজে পেলাম তখন অনেকগুলো সময় হারিয়ে গেলো, বয়স হয়েছে ২ জনেরই, কেউ কাউকে ভালো লাগার কথা আর বলি না। মনে মনে কেন জানি চিন্তা হল তাকে ফিরে পাবার কারন টা কি? লাইফে কি তাকে আবার পাবার আশা করতে পারি আমি? বলে দেখবো? একটু কি সিরিয়াস হবো এবার আমরা? ভাবতে লাগলাম দুজনই। ভেবে বের করলাম এবার সিরিয়াসলি পরিবারকে জানাই- কিন্তু পরিবার...