সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভালবাসার কথা

আমি ভুলব না সেই পড়ন্ত দুপুরে তোমার হাত ধরে সাগর পাড়ে বসে থাকা সেই ঝাউবনগুলোর নিচে। আসার পথে চেয়ে থাকা দুজন দুজনের চোখের দিকে আগামীকাল আর দেখবোনা বলে। আবার কবে দেখা হবে সেই চিন্তা আজকেই করে ফেলা। ফিরে যাবার বেলায় আমার দিকে তাকিয়ে থাকা চোখগুলো আমাকে আজও মনে করিয়ে দিয়ে যায় ভালবাসা সাময়িক। ঝাউবনগুলো হয়ে থাকবে আমাদের সাক্ষাত স্মৃতি। আমি ভুলতে না পারলেও কালের ঝাপটায় তুমি অনেক কিছুই ভুলেছো। বস্তবতা আমাকে অনেক কিছু জয় করতে শিখিয়ে দিয়েছে, সেই থেকে পাহাড় জয় আমার কাছে নেশা। তোমার চোখে শেষ ঠিকানা মনে করে আমার পথের সেই শুরু, দিন অনেক বদলে গিয়েছে, চোখের দেখা আর মনের পাওয়া এক যে না সেটা বুঝে ফেলার পর আমি শুধু ঝাউবনগুলোর কথা ভাবতাম আবার যদি একসাথে বসতে পারতাম আমরা। ইদানিং মাঝে মাঝে গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে গিয়ে কেবল হাসি এসব মনে করে। ভেতর থেকে মানুষের মন খুব খারাপ হলে মানুষ অসহায়ের মত ঘুমায়। আশা নিরাশার জালে আমি বার বার জড়িয়েছিলাম, সেই তাড়না থেকে আজও আমি বার বার সাগরকে না বলে দিয়েছি। আর যখন গর্জে উঠবে বজ্রপাত, ভেবো ওই আলোর ভিতর ঝলসে উঠছি। তীব্র ঝোড়ো হাওয়ায় পাবে আমাকে।

রেণুকা মারা গেছে

প্রচন্ড মাথা ব্যথা শফিকের। কপালের দুপাশের দুটো রগ ক্ষণেক্ষণে তিরতির করে লাফিয়ে জানান দিচ্ছে ব্যাপারটা নিয়ে এইবার সিরিয়াসলি ভাবা দরকার.... চশমাটা না বদলালে এবার হচ্ছেই না! চশমাটা নাহয় বদল করলো, কিন্তু মাথার ভিতরে যে টেনশনটা কাজ করছে সেটা কিভাবে বদল করবে? . এইসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতেই ফজরের আজান পড়লো। রেণুকা ঘুমিয়ে আছে, প্রশান্তির ঘুম। এলোমেলো চুল ছড়িয়ে আছে বালিশে, মুখে লেপটে আছে মায়াবী হাসি। মেয়েটাকে দেখলে মনেই হয় না আর কিছুদিন পরে মেয়েটা মারা যাবে। যথাসম্ভব কম শব্দ করে ওজু করলো শফিক যাতে রেণুকার এতোটুকু ডিস্টার্ব না হয়। . মোনাজাত গিয়ে চোখের জলে আল্লাহ্‌কে জিজ্ঞাসা করলো কেন এতো নাটক? কি দরকার ছিলো এতো নাটকের? ভালোই তো ছিলো ওরা। স্কুলটায় ক্লাস করিয়ে দুটো টিউশনি করে বিকেলের আগেই বাসায় ফিরতো। যা টাকা পেতো ভালো করেই চলে যেতো ওদের। দেরি করলে রেণুকা বলতো এতো টাকা তো আমার দরকার নেই, আমার তো দরকার তোমাকে, তোমার সময়। দু চারটে টাকার জন্য আমাকে সময় দিচ্ছো না, আমি মরে গেলে করবা কি তখন এতো টাকা দিয়ে? একটু সময় তো দাও, একটু পাত্তা তো দাও! . সেই রেণুকা আজ মারা যাচ্ছে। শফিক চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে সেই...

আজ সেই মেয়েটির বিয়ে

৩ সপ্তাহ আগে আমার গার্লফ্রেন্ড এর বিয়ে ছিল! কিন্তু বিয়ে টা হয়নি। কারন, বিয়ের দিন আমি তাকে তুলে নিয়ে আসছিলাম।এবং কোর্ট ম্যারেজ করে ফেলি দুইজন! আমার বাবা মা বিষয়টা মেনে নিল না! বিধায় আমাকে বাসা থেকে বের করে দিল। অসহায় দুইটা প্রাণ ঘুরতেছিলাম.....! আমি ভাবলাম যত কষ্টই হোক,মেঘাকে একটা থাকার ব্যবস্থা আমাকে করে দিতেই হবে! হাতে কিছু টাকা ছিল।ঐই টাকা দিয়ে মেঘাকে একটা মহিলা মেসে তুলে দিলাম! আমার কাছে প্রায় সব টাকা শেষ। কথায় আছে বিপদে পড়লে বন্ধু চেনা যায়। একজন ও আমার পাশে এসে দাঁড়ায় নাই! কিনা করছি তাদের জন্য। যাই হোক, এটাই হয়ত পৃথিবীর নিয়ম।বড্ড স্বার্থবাদী এই পৃথিবীটা! এই দিকে রাত হয়ে গেল। হাতে একটা টাকাও নাই। সখের মোবাইল ফোনটা বেঁচে দিলাম রাস্তার টোকাই এর কাছে! টাকা হাতে আছে,কিন্তু খাইতে ইচ্ছা করছে না! ভাবছিলাম আমি যদি একটু কষ্ট করি, তাহলে মেঘা ভাল থাকবে। এরমধ্যে আমি একটা থার্ড ক্লাস মেসে উঠলাম! অন্তত আকাশের উপর ছাদ টা পেয়েছিলাম! খুব কষ্টে একটা হোটেলে ওয়েটারের চাকরী পেলাম! নিজেকে প্রশ্ন করলাম টাকাই কি সব কিছু? একদিন দুপুরে,হোটেল এ ১০ জন ফরেনার আসল! কিন্তু কেউ তাদের ...