এক দিন সন্ধ্যায় আমি অফিস করছিলাম, তুমি আমাকে ফোন করে বললে তোমার মন
খারাপ। আমি বার বার জিজ্ঞাসা করেও বুঝতে পারছিলাম না কেন কি হল তোমার।
চেষ্টা করলাম অনেক ভাবেই জানার জন্য- নাহ শেষে ফোনটা রেখে দিবো সেই সময়
জানালে- কাল দেখা করতে পারবে?
আমি বলি তুমি যা বলেছ বুঝে বলেছো?
ও বলে হুম, দেখ না আসতে পারো কি না?
রিলেশনটা হবার পর এই প্রথম দেখা হবে, তাও আবার হটাত করে এভাবে চিন্তা করিনি। রাতে আর জানাই নি আমি রওনা দিচ্ছি। ছুটি ছাটা ম্যনেজ করে রাতের গাড়ি শ্যামলী আলফা ১ টিকেট কাটলাম ঢাকা টু চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে।
সকালে ভোর বেলা বাস থেকে নেমেই দিলাম কল-
-কই তুমি?
ও বলে -আমি ঘুমে। তুমি নাস্তা খাইছো? আজ অফিস নাই? সকালে ফোন দিলে যে আজ?
আমি বলি কাল রাতের মন আজ সকালে ভালো হয়ে গেছে?
ও বলে- হুম মন কাল খুব খারাপ ছিল তাই অনেক মিস করেছিলাম।
আমি বলি -তাহলে আমি চলে গেলাম ঢাকা টা টা।
ও এই কথা শুনে ও লাফ দিয়ে বিছানা থেকে উঠেছে তা আমি ফোনেই বুঝতে পারি। যাই হোক টাইম পাস করার জন্যে তার বাসার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখি সে বের হচ্ছে।
আমাকে দেখেই সেই কি দাঁত কেলানী হাসি। হা হা
আমি বলি নাস্তা খাইছো? ও বলে বেক্কল তোর সাথে খাবো বলেই তো এখন বের হলাম।
আমি বলি কই খাবি?
সে- তুই যেখানে খাওয়াবি?
আমি-তাইলে চল স্টেশন যাই, ওখানে সস্তা পাওয়া যায়। টাকা পয়সা কিছুই আনি নাই, ঢাকা যাবার ভাড়া নাই, পারলে কিছু দিস।
সে- হোটেলে যাবি? (কোন হোটেল বুঝে নিতে হবে-স্টেশন এলাকা)
আমি কই মাফ চাই ঢাকা যামু।
নাস্তা খেলাম পিজা হাটে পিজা দিয়ে।
নাহ সরি প্রথম দিন নাস্তা খেলাম নরমাল ডাল-পরোটা-চা।
এরপর সিএনজি নিয়ে গেলাম আমরা নেভাল, পতেঙ্গা। যেতে যেতে অনেক কথা হইলো। অনেক কথা জমে ছিল ওর সব উত্তর দিলাম এক এক করে। সে আমার কথা শুনে বলে তুমি তো অনেক গুছিয়ে কথা বলো-কাহিনী কি? আগের প্রেমিকা কী এখনো ফোন দেয় নাকি? মিষ্টি আলাপ-সালাপ হয়?
আমি কই তাইলে এক কাম কর তারে ডাক দে, এক সাথে মিট করি আকতারুজ্জামানে? ও চট্রগ্রামেই আছে।
ও বলে থাক বাবা কাম নাই, মগ ভাঙ্গাভাঙ্গি করতে পারুম না।
আমিও বলি কেন? তুই ও তোর আগেরটার সাথে এরকমই ভাঙ্গাভাঙ্গি করতি নাকি? ভাঙ্গাভাঙ্গি যা করসস করসস আমার লগে এসব ভোং ভাং চইলত ন’
নেভাল আসার পর পরই সুন্দর একটা যায়গা বেছে বসে পড়লাম- অনেক কথা শেয়ার করলাম। সামনা সামনি কথা বলার মজা- আমি মনে হচ্ছে সেইদিনই পেয়েছিলাম। এরপর থেকেই আমাদের ফোনে কথা বলার ইচ্ছে কমে যায়। ১/২ মিনিটও কথা বলতাম না।
আগের কথা যা যা আছে আগের পর্বে আপনাদের যা জানাই নি-সব বললাম ওকে আর কি। সব কথা প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।
পাশেই দেখি এক ছেলে এক মেয়ে খুব অন্তরঙ্গ হয়ে বসে আছে। আমরা দুই জনের দিকে তাকাই দুজন, আমাদের দুজনের চোখে চোখে কথা হয়ে যায় কি করতে হবে। হা হা
দুইজনই উঠে গিয়ে সেই ছেলে মেয়ে দুইটার পাশে বসলাম একটু দূরত্ব রেখে।
বলছিলাম শুনিয়ে শুনিয়ে-
সে- আগের জায়গাটা না কি ঠান্ডা ছিল, এখানে গরম আছে।
আমি- হুম আসলেই এইখানে এখন অনেক গরম, আশে পাশে এত হট-পট গরম তো লাগবেই।
সে- বাসা বাড়ি ফাঁকা ফালাইয়া কেন যে মানুষ রাস্তা ঘাটে আসে? বুঝিনা।
আমি এবার সেই ছেলে মেয়ে দুইটার দিকে তাকিয়ে রইলাম-
ভাবে বুঝালাম কি ভাইসাব? চুপ কেন? যা করতেছিলেন থামলেন কেন? চালাই যান নতুন কিছু শিখি।
তো আমরা এই পর্বে কি শিখলাম?
হ্যাপিনেস ইজ এক্টিং লাইক এ টোটাল ফ্রিক টু এনয় সামওয়ান।
পুনশ্চঃ কারো লাইফের সাথে কিছু মিলে গেলে লেখকের কোন দোষ নাই।
রণাঙ্গন থেকে বলছি
৩০/১১/২০১৩
আগের ব্লগগুলো পড়তে পারেন-
কিছু কথা বলছি শুধু “আমার” জন্যে-১
কিছু কথা বলছি শুধু “আমার” জন্যে -২
কিছু কথা বলছি শুধু “আমার” জন্যে -৩
আমি বলি তুমি যা বলেছ বুঝে বলেছো?
ও বলে হুম, দেখ না আসতে পারো কি না?
রিলেশনটা হবার পর এই প্রথম দেখা হবে, তাও আবার হটাত করে এভাবে চিন্তা করিনি। রাতে আর জানাই নি আমি রওনা দিচ্ছি। ছুটি ছাটা ম্যনেজ করে রাতের গাড়ি শ্যামলী আলফা ১ টিকেট কাটলাম ঢাকা টু চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে।
সকালে ভোর বেলা বাস থেকে নেমেই দিলাম কল-
-কই তুমি?
ও বলে -আমি ঘুমে। তুমি নাস্তা খাইছো? আজ অফিস নাই? সকালে ফোন দিলে যে আজ?
আমি বলি কাল রাতের মন আজ সকালে ভালো হয়ে গেছে?
ও বলে- হুম মন কাল খুব খারাপ ছিল তাই অনেক মিস করেছিলাম।
আমি বলি -তাহলে আমি চলে গেলাম ঢাকা টা টা।
ও এই কথা শুনে ও লাফ দিয়ে বিছানা থেকে উঠেছে তা আমি ফোনেই বুঝতে পারি। যাই হোক টাইম পাস করার জন্যে তার বাসার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখি সে বের হচ্ছে।
আমাকে দেখেই সেই কি দাঁত কেলানী হাসি। হা হা
আমি বলি নাস্তা খাইছো? ও বলে বেক্কল তোর সাথে খাবো বলেই তো এখন বের হলাম।
আমি বলি কই খাবি?
সে- তুই যেখানে খাওয়াবি?
আমি-তাইলে চল স্টেশন যাই, ওখানে সস্তা পাওয়া যায়। টাকা পয়সা কিছুই আনি নাই, ঢাকা যাবার ভাড়া নাই, পারলে কিছু দিস।
সে- হোটেলে যাবি? (কোন হোটেল বুঝে নিতে হবে-স্টেশন এলাকা)
আমি কই মাফ চাই ঢাকা যামু।
নাস্তা খেলাম পিজা হাটে পিজা দিয়ে।
নাহ সরি প্রথম দিন নাস্তা খেলাম নরমাল ডাল-পরোটা-চা।
এরপর সিএনজি নিয়ে গেলাম আমরা নেভাল, পতেঙ্গা। যেতে যেতে অনেক কথা হইলো। অনেক কথা জমে ছিল ওর সব উত্তর দিলাম এক এক করে। সে আমার কথা শুনে বলে তুমি তো অনেক গুছিয়ে কথা বলো-কাহিনী কি? আগের প্রেমিকা কী এখনো ফোন দেয় নাকি? মিষ্টি আলাপ-সালাপ হয়?
আমি কই তাইলে এক কাম কর তারে ডাক দে, এক সাথে মিট করি আকতারুজ্জামানে? ও চট্রগ্রামেই আছে।
ও বলে থাক বাবা কাম নাই, মগ ভাঙ্গাভাঙ্গি করতে পারুম না।
আমিও বলি কেন? তুই ও তোর আগেরটার সাথে এরকমই ভাঙ্গাভাঙ্গি করতি নাকি? ভাঙ্গাভাঙ্গি যা করসস করসস আমার লগে এসব ভোং ভাং চইলত ন’
নেভাল আসার পর পরই সুন্দর একটা যায়গা বেছে বসে পড়লাম- অনেক কথা শেয়ার করলাম। সামনা সামনি কথা বলার মজা- আমি মনে হচ্ছে সেইদিনই পেয়েছিলাম। এরপর থেকেই আমাদের ফোনে কথা বলার ইচ্ছে কমে যায়। ১/২ মিনিটও কথা বলতাম না।
আগের কথা যা যা আছে আগের পর্বে আপনাদের যা জানাই নি-সব বললাম ওকে আর কি। সব কথা প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।
পাশেই দেখি এক ছেলে এক মেয়ে খুব অন্তরঙ্গ হয়ে বসে আছে। আমরা দুই জনের দিকে তাকাই দুজন, আমাদের দুজনের চোখে চোখে কথা হয়ে যায় কি করতে হবে। হা হা
দুইজনই উঠে গিয়ে সেই ছেলে মেয়ে দুইটার পাশে বসলাম একটু দূরত্ব রেখে।
বলছিলাম শুনিয়ে শুনিয়ে-
সে- আগের জায়গাটা না কি ঠান্ডা ছিল, এখানে গরম আছে।
আমি- হুম আসলেই এইখানে এখন অনেক গরম, আশে পাশে এত হট-পট গরম তো লাগবেই।
সে- বাসা বাড়ি ফাঁকা ফালাইয়া কেন যে মানুষ রাস্তা ঘাটে আসে? বুঝিনা।
আমি এবার সেই ছেলে মেয়ে দুইটার দিকে তাকিয়ে রইলাম-
ভাবে বুঝালাম কি ভাইসাব? চুপ কেন? যা করতেছিলেন থামলেন কেন? চালাই যান নতুন কিছু শিখি।
তো আমরা এই পর্বে কি শিখলাম?
হ্যাপিনেস ইজ এক্টিং লাইক এ টোটাল ফ্রিক টু এনয় সামওয়ান।
পুনশ্চঃ কারো লাইফের সাথে কিছু মিলে গেলে লেখকের কোন দোষ নাই।
রণাঙ্গন থেকে বলছি
৩০/১১/২০১৩
আগের ব্লগগুলো পড়তে পারেন-
কিছু কথা বলছি শুধু “আমার” জন্যে-১
কিছু কথা বলছি শুধু “আমার” জন্যে -২
কিছু কথা বলছি শুধু “আমার” জন্যে -৩
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন