তারিখঃ ০৭/০৭/২০১৭
সময়ঃ রাত ৮টা বেজে ০৩ মিনিট।
স্থানঃ আমার বাসা।
তোমার সাথে আমার পরিচয় রোজার মাঝে। হটাত করে আমি একদিন নক করে বসলাম তোমাকে, ছবিতে যেরকম দেখা যাচ্ছে সেরকম দেখতে তুমি নও, সেদিনই মনে হচ্ছিল। পরে ৪/৫ দিন যাবার পর একদিন শরম করে জিজ্ঞেসা করলাম আচ্ছা তোমার ছবি দাও না গো? তুমি বললে যে ছবিটা তোমারি। আমি আবার ভালো করে দেখলাম। তুমি আবার ৩ সেকেন্ডের জন্যে দিলে নতুন ছবি। সেই চোখ আমি ভুলিনি এখনো। সাথে সাথে গাইলাম শিরোনামহীনের বিখ্যাত গান "যেখানে তোমার চোখ খুনি আমি খুন হই প্রতিদিন"
দিনে দিনে কথা বলে বলে বুঝতে পারলাম তোমাকে যেনো হঠাৎ করে পাওয়া মুল্যবান কিছু।
তুমি অবশ্য তোমাকে নিয়ে একটা কথাও বল নাই, মনের ভুলে যখন তুমি কিছু বলে ফেলো আমি খুব মনযোগ দিয়ে শুনে নেই। যেন ভুলে না যাই। আর আমার আরেক রোগ হচ্ছে ভুলে যাওয়া রোগ। প্রথম দিকে খেয়াল করবা যে আমি অনেক কিছু তোমাকে বার বার জিজ্ঞেস করতাম, কারন আসলে ভুলে যাওয়া। অনেক বিরক্ত হতা অবশ্য। আমি বুঝতে পারতাম। ঝাড়ি দিতে। আমি আর জিজ্ঞেস করতাম না তখন। তোমাকে রাগাতে আমার ভালোই লাগে না। তোমাকে হাসি খুশি দেখলেই আমার মনটা ভরে যায়। মনটা উড়ু উড়ু হয়ে যায়।
ঈদের ছুটিতে তোমার সাথে রাত জেগে অনেক কথা বলছিলাম। আগের কথা। হাহা সেই কথা আজ আর বলতে চাই না। আমাকে নিয়ে মনে হয় তুমি খুব বাজে ধারনা পোষন করে বসে আছো, তখনই আমি বুঝেছিলাম। পরে কিছু কথা ক্লিয়ার হবার পর কিছু আবার বুঝছো। সেদিন আবার কি যে ঝগড়া করলা, সারাটা দিন রাত আমাকে কষ্ট দিছো। মুখ ফুটে বলতে পারি নাই। তাও তুমি বুঝবে না আমি জানি। সেই যাই হোক। আমি তোমার রাগ জিনিষটা কমাতে চাইছিলাম। আর হ্যা দেখো সেদিনের পর আমাদের ঝগড়া কম হচ্ছে। ঠিক কিনা?
আর আমি নোয়াখালী এই নিয়ে তোমার হাসি ঠাট্টা মজাই লাগতো। একদিন মনে হয় কি নিয়ে রাতে সিরিয়াস হয়ে গেসিলাম তুমি মনে করছিলা। হাহা। আসলে আমি এসব শুনে শুনে অভ্যস্ত হয়ে গেসি।তুমি ভালো করেই জানো আমি গন্ডারের বাপ।
তারিখঃ ০৭/০৭/২০১৭
সময়ঃ রাত ৯টা বেজে ২২ মিনিট।
স্থানঃ আমার বাসা।
গত কয়েকদিন ধরে তোমাকে নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমার তো ফ্রেন্ড নাই, গফ নাই, বউ নাই, তুমিই আছো। নিজের মাঝে কেমন জানি একটা ফিল। আর সেদিন তো TSC-তে তোমার সাথে একসাথে বসে চা খাওয়া, মাঠে বসে কথা বলা, মামার দোকানে ১০ টাকার কফি চা খেতে খেতে মনে করা ইশ মামা কেন ১০ টাকায় এত কম কফি চা দিলো? আরেকটু দিতো তাহলে আরেকটু তোমাকে পাশে পেতাম।
পাবলিক লাইব্রেরির সামনের ভাজা পোড়ার দোকানে বসে পাকোড়া খাওয়া, গরম গরম পাকোড়া যখন হাত লাগাই মনে হচ্ছিলো হাত পুড়ে যাচ্ছে, তুমি আবার দূর থেকে ফু দিয়ে আমার আঙ্গুলে প্রশান্তি দিলে, আমাদের তো হাত ধরা আবার মানা! তাই তুমিও ধরতে গিয়ে ধরনি সেদিন। আমি করবো সাহস? সেদিন বলছো খুন করবা! এই ভেবে আর ভয়েই আমি শেষ। আবার হাত!
ডাকশুর সামনের গিয়ে বললাম লেবু পানি খাবা? গরম তো কম পড়েনি। তুমি বললে আসো খাই। শ্যাডোর সামনে এসে মামাকে বললাম ২ গ্লাস লেবু পানি দেন না? আমি তোমার গ্লাসটা আবার টিস্যু দিয়ে মুছে দিলাম। তোমার খাওয়া দেখছিলাম আড় চোখে। তুমি আবার আমার দিকে তাকালে, আমি আবার নিজের খাওয়ার দিকে তাকালাম। মনে মনে ভাবলাম তুমিও কম চালাক না! আমাকে দেখছো।
জানি না কি ভাবছিলে তুমি।
তবে সেদিন ছিল আমার লাইফের সেরা দিন। কল্পনাও করতে পারবে না, কি খুশি ছিলাম আমি। তুমি হ্যা সেই তুমি যাকে আমি অনলাইনে এক দেখায় ভালোবেসেছি, সেই আমার সামনে। অবাক করা জিনিষ। যার প্রতিটি কথা আমি কত যত্ন নিয়ে পড়ি, যেমন কেউ তার খুব পছন্দের জিনিষ আপন করে দেখে তেমনটাই। স্বপ্নেও ভাবতে পারছিলাম না এই তুমি আমার সামনে যার সাথে আমার ফেইসবুকে এড নাই, যার মোবাইল নাম্বার নাই, যার বার্থ ডে আমি জানি না, যার একটা ছবিও আমার কাছে নাই, শুধু সম্বল মিট মি নামক একটা চ্যাট বক্স।
যাবার বেলায় বললাম আবার কবে দেখা হবে? তুমি বললে জানি না। বুকটা মোচড় দিলো। তুমি তা দেখে বললে আরি গাধা পরেরবার শাড়ি পড়বো। আমি দিলাম বিশাল দাঁত কেলানো হাসি। রাতে আবার আমাকে বললে আমি তো শাড়ি পড়তে পারি না। আমি বললাম থাক না, তুমি তো তোমার তুমিতেই সুন্দর। তুমি ঝাড়ি দিয়ে বললে, আজাইরা পেচাল কম পাড় না? আমি বলি, "তোমার ঘন কালো চুলে হারিয়ে যায় মন"
স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে। তাই ভালোবাসি স্বপ্নকে। এই ছোট জীবনে স্বপ্ন দেখার বেলাই কেবল টাকা লাগে না।
আমিতো ভালবাসতে জানি না, কাউকে তো কাছে টানতে পারি না, তবু তুমি থাকো যখন আমার পাশে, আমার কেনো এমন লাগে?
তারিখঃ ০৭/০৭/২০১৭
সময়ঃ রাত ১০ টা বেজে ০৪ মিনিট।
স্থানঃ আমার বাসা।
এসব শুনে জানি তুমি খুব বিরক্ত হবা। গালি দিয়ে কালকের মত বলবা তোকে এসব ভাবতে বলছে কে। তুমি গালি যাও আর যাই দাও। মন তো আমার। স্বপ্ন দেখতে তো গরিবের লাগে না টাকা। আপাতত তুমি অনলাইনে নাই। মেসেজ দিয়ে রাখছি। অনলাইন হলে হয়তো দেখবা। ভাবতেছি লিখাগুলো কি দেখাবো তোমাকে? কি মনে কর আবার। শত শত চিন্তা মাথায়।
- ভয় লাগে কোনদিন তুমি মিট মি থেকে চলে যাও?
- আমাকে যদি ভুলে যাও?
- কোনদিন যদি আর যোগাযোগ না কর?
- যদি হারিয়ে যাও?
- যদি কোনদিন দেখা না হয়?
- যদি কোনদিন কথা না হয়?
যদি যদি আর যদি.......
খুব কষ্ট পাবো।
আজকে আর লিখবো না। তোমাকে লিঙ্কটা দিবো একটু পর। ইচ্ছে আছে আরো লিখার। তুমি লিঙ্কটা সেইভ করে রেখে দিও কোথাও। আপডেট নিও মাঝে মাঝে। তোমাকে জানাবো কিছু লিখলে। অবশ্য আর যোগাযোগ না হলে এসব পড়ে আর টাইম নষ্ট করবাই বা কেন? আমি কিন্তু লিখে যাবো। ১৪ মাস পর লিখতে বসে আজকে নিজেকে আবিষ্কার করলাম আমার মাথায় আজকাল আর সুন্দর লিখা বের হয় না।
জীবন থেকে মিলিয়ে যেওনা আবার কারন দিক ঠাওরাতে পারবোনা বলে দিয়েছি আগেই, বিকেলের রিক্সা করে ব্যস্ত শহরে পাশাপাশি বসে তাকিয়ে থাকা যেন ভ্যানকুভারের রায়টের সময় তোলা ছবিটার কথা মনে করিয়ে দেয় আমাদের। আমি দাঁড়িয়ে থাকবই ততক্ষন যতক্ষন না তুমি একটি বার ফিরে তাকাবে।
তারিখঃ ০৮/০৭/২০১৭
সময়ঃ সন্ধ্যা ০৬ টা বেজে ২৬ মিনিট।
স্থানঃ আমার বাসা।
আজকে দুপুরে আর ইচ্ছে হচ্ছিলো না লিখি। স্বপ্ন যখন দেখি তখন কি যে ভালো লাগা কাজ করে। আবার যখন ভেঙ্গে যায় রাজ্যের হতাশা গ্রাস করে। আর সেই হতাশার অর্তনাদে হিচড়ে পড়ছে বেদনা। দূষিত করেছে আমায় সমাজের নিত্য চাপে।
মানুষ এগিয়ে যায় অন্যসময়ে, আকাশ বদলে যায় অন্য আকাশে, জীবনের চাহিদা কিছু বাকি রয়ে যায়। হৃদয়ের পাখি এখনো বন্দী খাচায় জীবনের সীমানা দূরে দেখা যায়।
মুক্তির সিঁড়ি পেরিয়ে কে বা কার দেখা পায়? থাক কাব্যিক কথা আর না বলি।
তুমি কাল রাতে যা বলেছো তা মাথার মাঝে আমার এখনো ঘুরে। ভুলতেই পারি নাই। সে যাই হোক তোমাকে সেটা সকালেই বুঝাই বলে দিছি। এই নিয়ে আর কথা বলতে চাই না।
রাজকীয় বউ পড়ে আমার অনুভুতি অন্যরকম। আমরা নোয়াখাইল্লা, শুদ্ধ ভাষা জানি না, অনেকে বলে আমরা খ্যাত, চরের দেশের লোক, পড়ালেখা জানি না, সারাদিন আমাগো কাজ মানুষের লগে ভেজাল লাগানো, হেন তেন হাবিজাবি। অনেক খারাপ দেশের মানুষ আমরা।
আর আমাদের কপালে থাকে সেই খেত থেকে উঠে আসা মেয়েরা যারা আমাদের নানি দাদি চাচি মামি খালা ফুপি আম্মারা বোনরা, সামনে হবে বউরা, নিজেদের মেয়েরা।
কালকে তোমার সাথে দেখা করা নিয়ে কি সব গল্প বানাইসি, উচিত হয়নি এসব ভাবা/লিখে রাখা, আবার তোমাকে দেখাইছিও। কি যে করলাম আমি। থাক এখন আর লিখবো না। যাই নামাজ পড়ে আসি।
হাহাহাহাহাহহাহা। আজকে আমার রোমান্টিক মুডে আছি, মেডাম আমার মুড খারাপ করতে আসছে, হেহে, নিজেরই মুড খারাপ হয়ে গেছে। হিহিহি। প্রসঙ্গটা ছিলো আমার বিয়ের কার্ড, গয়না নিয়ে। হেহে। আমার হাসি পাচ্ছে খুব।
ওয়েস্টলাইফ এক সময়কার খুব মারাত্মক রোমান্টিক ব্যান্ড ছিল। ছোটকালের প্রেমের সব লিরিক্স ওয়েস্টলাইফ, ব্যাক স্ট্রিট বয়েজ থেকে চুরি করা। আজকে গানটা এখন দেবার পর ভালো লাগলো। অনেক দিন পর গানটা শুনলাম। গানের কথা গুলা একদম হার্টে গিয়ে লাগে।
I wanna grow old with you
I wanna die lying in your arms
I wanna grow old with you
I wanna be looking in your eyes
I wanna be there for you
Sharing in everything you do
I wanna grow old with you
ব্যাপারটা সেই কিন্তু। তোমাকে নিয়ে কি স্বপ্ন দেখি জিজ্ঞেসা করেছিলে। বুঝিয়ে বলতে পারি নাই। পারবোও না।
Pasito a pasito, suave suavecito
Nos vamos pegando, poquito a poquito
আসল অর্থঃ Step by step, gentle soft
We are going to stick a little bit
এটা মজার অর্থঃ বাসিতো বাসিতো, ভালোবাসিতো,
সব মেয়েরে আমি ভালোবাসিতো।
আমার অর্থঃ বাসিতো বাসিতো, ভালোবাসিত,
তোমারে আমি ভালোবাসিতো।
কত বিষাদে কত বিরহে কত প্রহর কেটে গেছে, বোবা সময়ে মৃদু পরশে সব যন্ত্রণা মুছে গেছে।
তারিখঃ ১৯/০৭/২০১৭
বাজে ৮.৫২ মিনিট
স্থানঃ আমার বাসা।
আজকে ১০ দিন পর লিখতে বসলাম। তুমি নাকি ঢাকায়। আমার যে কি খুশি লাগছে। কত কাছে তুমি। ইশ যদি দেখা হত? আজকে দেখা হলে তো কথায় ছিলো না। একদম ডিনার করে বাসায় পোঁছে দিয়ে আমি আসতাম তোমাকে।
আজকে মজা করতে করতে তোমাকে দুপুরে সিরিয়াস কথা বলে ফেলেছি। জানি বিরক্ত হও। কোনদিন যে ব্লক মেরে দাও সেই ভয়ে আছি। মোবাইলে বসে আছি তোমার নক কথন আসবে।
আজকের ওয়েদারটাও সেই, ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস। ভালোই লাগছিল। জানি না এই বাতাসে রিক্সা জার্নি কেমন হয়, তোমার চুল কি খুলে আসতা আজকে? চুল কি বাতাসে উড়তো? আমার গালে এসে ঝাপ্টা দিত? তুমি মাঝে মাঝে চুল খোপা করে নিতে, আমি ছুতা ধরে চুল খুলে দিতাম। এক সময় বিরক্ত হয়ে দিতা চিমটি। আমি তাও একই কাজ করতাম। আমি তো তাই তোমার খোলা চুলের সুবাস নিতে, তুমি বুঝতে পারতা, আমি তো জানি তুমি চাইছিলে আমিও যেন তোমার চুলে হারিয়ে যাই।
রিক্সা করে ঘুরাটা আমার কাছে অনেক রোমান্টিক মনে হয়, জানি না গরীবের ভালোবাসা একেই বলে হয়ত। পাশা পাশি বসে সামান্য বৃষ্টির ছিকা গায়ে পড়বে, আরো জড়সড় হয়ে পাশে এসে বলবে এই রণ হুডটা তুলে দাও না ভিজে যাচ্ছি। আমিও বাধ্য ছেলের মত হুড তুলে মামাকে বলব মামা পলিথিন দাও। পলিথিনের এক কোনা তোমার হাতে আরেক কোনা আমার হাতে ঠিক যেন আমাদের ভালোবাসার মত। অনেকদিনই বৃষ্টিতে ভিজার সখ ছিল, আজ কেন যেন ইচ্ছে পূরণ করতে ইচ্ছে করছে। থাকবা তো আমার জীবনে পলিথিনের মত ভালোবাসার চাদর হয়ে? উত্তর জানতে আর ইচ্ছে করে না। জানি যে স্বপ্নভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাইতো স্বপ্ন দেখার সীমানা ছোট করি না।
-চল আজকে ফ্রাইড রাইস খাই? (আমি)
- আজকে? এখন? (তুমি বললে)
-কেন? ভাত খাবা নাকি?
-না, তা বলি নি।
-চাইনিজ? মেক্সিকান? ফিউশান? হাবি জাবি স্কুইড, পোকা মাকড়?
- উফফ রণ মেজাজ খারাপ কর কেন?
-তাইলে চল না? বিরানী খাই?
তুমি তো চিৎকার দিয়ে উঠলে...ইইইইইইইইইইইইইইইই মোটা হয়ে যাবো।
আমি বলি ইশ মুটু হলে হবা, খাওয়া কমানি যাবে না। আচ্ছা শুনো না, শংকরে নাকি একটা রেস্টুরেন্ট আছে "ওজ" সেখানে নাকি সামনা সামনি বসে ৩০০ টাকার খাবার কিনে ভরপুর ভালোবাসা করা যায়?
উফ আজকে আমার মাঝে এত রোমান্স কেন? রোমান্স হবে না? সকাল সকাল আজকে তোমাকে যে গান দিছি, সেটা ছিল অসাম।
উত্তরঃ কি কি কারনে আমি তোমার জন্যে ফিট হবো না/ তোমার আব্বু কেন আমাকে গালি দিবে তা ভেবে ভেবে। হাহা আবার হেসে নেই। হেহে। আবার হেহে।
কিছু কারন বলিঃ লল আবার হাসি পাচ্ছে। হেহে।
১. আমি নোয়াখাইল্লা
২. আমি প্রেম করছি কতগুলা
৩. **** /ড্যাশ-ড্যাশ করছি (বুঝে নিবা)
৪. ছাতার চাকরি করি
৫. বাড়ি নাই, গাড়ি নাই, টাকা নাই
৬. সবচেয়ে বড় কথা তো ভুলেই গেছি বলতে আমি তো ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার না, সরকারি চাকরি ও করি না, ব্যাংকার ও না!
৭. দেখতে যা তা, মাথায় কিছু নাই। লল।
৮. এটা আমার সারাজীবন মনে থাকবে তুমি আমাকে বলছিলা, "মরে গেলেও বিয়ে করবে না আমাকে।" (চ্যাট টাইম-৪.৪৭ মিনিট, তারিখঃ ১৩.০৭.২০১৭)
হাহা, এসব মনে পড়ে আমার অনেক হাসি পাইছিলো। জানি এসব কথা শুনে তোমার পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যাবে। বাট আমি সত্য কথা বলি। যা বলি সামনেই বলি। কিছু বাড়াই না, কিছুও কমাই না। তাই তো আমি নোয়াখাইল্লা। আর নোয়াখাইল্লারা খারাপ।
তারিখঃ ০৮/০৯/২০১৭
সময়ঃ ০৯.০৮ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
আজকে অনেকদিন পর লিখতে বসলাম। মাঝে তোমার সাথে ঝগড়া করে ৭/৮ দিন মেবি কথা হয় নি। আমি কথা বলার ট্রাই করেছিলাম, তুমি চেক করনি, মেবি বিজি ছিলে, মেবি রাগ করেছো অনেক। সে যাই হোক। আমি যখন তখন রাগ করি, যখন তখন আমার মুড ভালো হয়ে যায়। আমি এমনই। আমি যদি এমন না হই তাহলে আমার আমি বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। আমিত্ব বলে আমার অনেক গুনাগুন আছে। যা তুমি একটা দেখেছো। আমার অন্য ফ্রেন্ডরা অনেক বছর ধরেই জানে এসব।
হটাত করে একটা কথা মাথায় আসলো "আমাকে তুমি নোয়াখাইল্লা বলে গালি দাও না কেন আজকাল?"
কয়দিন আগের ঝগড়ার পর দেখি অনেক মেপে মেপে কথা বলছো। জানি না। আমার কথায় মেবি তোমার রাগ উঠে তাই এমন করে কথা বল আজকাল। জানি না বাবা। আমি অতশত ভেবে কিছু বলি না। যা বলি সামনেই বলি। তাই তো আমি নোয়াখাইল্লা। হাহা
তোমার মুডি মুডি ভাবটা ভালোলাগে, হিহি। আজকাল অনেক চুপ চাপ তুমি। আগের সেই ফারজানা আর নাই তুমি। হয়তো আমার সাথে তেমন আলাপ করতে চাও না। হেহে, কি বা আর আলাপ করবা, তুমি তো কিছুই শেয়ার কর না আমার সাথে। আমি কিছু বললে তা নিয়ে একটু আলাপ কর আর কি।
তোমাকে নিয়ে একটু পাশাপাশি বসতে ইচ্ছে করছে আজ। কাল থেকে তো অফিস শুরু হয়ে যাবে। ব্যস্ত জনজীবন। রুটিন মাফিক দিন যাপন। দম ফেলার ফুসরত নাই যেখানে। তুমি তো আর ঢাকা আসবে না, দেখাও আমাদের আর হবে না কোনদিন। নিয়মে অনিয়মে দিন কেটে যাবে। তুমি থাকবে তোমারি মত। তোমারি জন্য কথা থাকবে জমা আমার এই ব্লগে। জমা থাকা কথা এখানেই বলি নিজে নিজে। তোমার আমার লাস্ট ২/৩ মাসের কথার মাঝে আরো কত কথা জমা, সব লিখে রাখি এখানে এক কোনে। এক সময় তোমার আমার রাস্তা ভিন্ন হবে। রয়ে যাবে অনেক কথা। সেই কথা আর না জমিয়ে এখানে লিখে রাখলাম। মাঝে হয়তো ভুলেই যাবা একদিন। হয়তো একদিন রাস্তায় দেখা হয়ে গেলে আমি নাও চিনতে পারি। হাহা। কিছু মনে করিও না আবার।
বিকালে বলছিলাম প্রেমে পড়েছি তোমার। তোমার সাথে মিশতে, তোমার সাথে কথা বলতে, তোমার সাথে ঝগড়া করতে, তোমাকে নিয়ে ভাবতে, তোমাকে না দেখে তোমার প্রতি অন্যরকম ভালো লাগা, সেটা ভালোবাসায় চলে গেছে। হেহে সেসব সব মোহ - Infatuation (an intense but short-lived passion or admiration for someone or something)। হতে পারে। আমি ফান করেছি। কারন আমি জানি কেন আমি ফিট না তোমার জন্যে। আর তোমার দেয়া ১৩.০৭.২০১৭ এর কথাটা আমার চোখে এখন ভাসে, "মরে গেলেও বিয়ে করবে না আমাকে।" বিয়ে শাদি করা লাগবে না। ফ্রেন্ড হয়ে থেকো। বেস্ট ফ্রেন্ড ও হওয়া লাগবে না। ইভেন ট্রাস্ট করাও লাগবে না। কিছু পাওয়ার আশায় তোমার সাথে কথা বলি না।
লিখা এখন আর আসছে না।
তারিখঃ ১৭/০৯/২০১৭
সময়ঃ ১১.২৩ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল, দিনটা ছিলো শুক্রবার ১৫ তারিখ, হ্যা তোমার জন্মদিন। আগের রাতে তুমি হটাত আমাকে বলে বসলে আগামী কাল সন্ধ্যায় কি ফ্রি থাকবা? আমি বুঝে গেছি তখন, কি বলবা, আমি তাও ওয়েট করছিলাম, কি বল শুনি। পরে যখন বললে পার্টি আছে বুমার্সে তখন ১০০% দেখা হচ্ছে আমাদের।
সেই রাতে হালকা পাতলা একটু তুমি রাগ করলা। তাও আমি মাফ চেয়ে নিচ্ছি তোমাকে বেশি বেশি রাগাই বলে হেহে। আবার হেহে। সে যাই হোক, সেদিন আরেকটা কান্ড হল তোমার নাম্বার দিয়ে কল দিলে, মনে আছে এখনো ১৯ সেকেন্ড! আমি হ্যালো বলে বলতে গেছিলাম "তুমিই কি সেই ফারজানা?" ওমা দেখি তুমি রেখে দিয়েছো। হাহা। আমি ভাবছিলাম তোমার কি টাকা শেষ? নাকি কেউ চলে আসছে দেখে কেটে দিয়েছো? নাকি কথা বলতে চাচ্ছো না? নাকি সেট অফ হয়ে গেলো, এই সব ভাবতে ভাবতে আমার ৫ মিনিট গেলো। কি মনে করে কল ব্যাক করলাম, পরে আবার ভাবলাম এত রাতে কল দিচ্ছি বাজে দেখায়, তাও আবার আজকের দিনে, কি না কি মনে কর। তারপরেও দিয়ে দিলাম কল। হেহে তারপর দিলে আমার কল কেটে!! আমি ভাবলাম শিউর ডিষ্টার্ব করে ফেলছি। মনে মনে সরি বলছিলাম আর নিজেরে গালি দিচ্ছিলাম। তারপর তো তোমার সাথে চ্যাট করে ঘুম দিলাম মেইবি ২.৩০ এর দিকে। কেন জানি মনে হচ্ছিল বার্থডে মনে হয় আমার! আমার এত এত খুশি লাগে ক্যারে?
তোমারে নিয়ে তো আমার মজার মজা কথা কত কিছু মনে আসছে সেদিন। সারাটা দিন আমার গেলো তোমার কথা ভাবতে ভাবতে। কি বলব তোমাকে? দেখা হলে তুমি কিছু জিজ্ঞেসা করলে কি উত্তর দিবো? তোমার সামনে আমাকে লাগবে কি রকম? সার্ট পড়বো নাকি পাঞ্জাবী তোমাকে তাই জিজ্ঞেসা করলাম। কেন জানি আমি সেদিন মেরুন কালারেরটাই পড়ে গেলাম। এত ম্যাচিং হল কিভাবে? আমি তুমি তো কালার নিয়ে কথা বলিনি!! পরে আমি এটা নিয়ে ভাবছিলাম। আমি কাছাকাছি এসে তোমাকে মেসেজ দিলাম। তুমি বললে আসো রাইফেলে। এসে দিলাম কল। বললে পার্লারে। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, পার্লারে কি করে এই মেয়ে? আমি হেল্ভ্যাশিয়ার সামনে দাড়ালাম ২০ মিনিট। তোমার জন্যে অপেক্ষা। সে এক কঠিন অপেক্ষা। আহ। শেষ পর্যন্ত তুমি আসলে। তোমাকে খুব ভালো করে ২০ সেকেন্ড দেখলাম তুমি কি? যাকে আমি ১০ সেকেণ্ড করে দেখছিলাম মাত্র কয়েকবার। হ্যা আমার মনে যেরকম ফারজানার ছবি তুমি সেই ফারজানাই। আমার সামনে। তুমি মাশাল্লাহ অনেক লম্বা ছিলে বলে আমার খুব তোমার সাথে কথা বলে ভালো ফিল হচ্ছিল। ইভেন তোমার সাথে হেটেও অনেক মজা পাইছি। আসলে তোমার সাথে কাটানো ২ ঘন্টা ছিল আমার লাইফের অন্যতম সেরা ২ ঘন্টা, ইচ্ছে করছিল না তোমাকে সেদিন ছেড়ে যেতে। অনেক মিস করেছি সেদিন ফেরার পথে।
তোমাকে আমি অনেক আগে বলেছিলাম একটা কথা যে, তুমি আমার ক্রাশ। আর ক্রাশের সাথে দেখা করা, ফোনে কথা বলা, তার জন্মদিনে পাশে বসে খাওয়া, হাতে হাত টাচ লাগা, রিক্সায় পাশে বসা, তার সাথে ছবি তোলা, উফ। আমার মাথা আউলা ঝাউলা। আমার হ্যাং ওভার এখনো কাটেনি। নাহ আসলেই তুমি আমার ক্রাশ। আল্লাহ তোমাকে আমার ক্রাশ করেই পাঠাইছে। মাশাল্লাহ।
আর একটা কথা আমি তোমার জন্যে কিছু গিফট আনতে পারি নি। আমার আসলে গিফট জিনিষ নিয়ে কেমন জানি লাগে এসব, মানে আমি না পারি না। বাট শপিং এ গেলে কিনে দিতে পারি সব কিছু।
তারিখঃ ২৩/০৯/২০১৭
সময়ঃ ০৮.৩৯ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
কাল রাতে থেকে একটা গানই গাইছি শুনছি, তোমাকে শুনিয়েছিলাম, জানি না শুনেছো কিনা।
কাল দুপুরে বললে তুমি মালেশিয়া যাচ্ছো! আমার যা মন খারাপ হইছে, আমি এক ফোটাও জানি না। সে যাই হোক, হয়ত এটা তোমার কাছে ধানমন্ডি থেকে উত্তরা যাওয়া আসার মত। পরে ভাবলাম আমি। হাহা। কাল রাতে তুমি ফ্লাইটে উঠার পর তোমার ফ্লাইট ধরে তোমার প্লেন ট্রেক করলাম। সারা পথ আমি প্লেনের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। সকালে whatsapp এ দিয়েছিলাম ছবি। খেয়াল করেছো মনে হয়।
গানটা মাথায় ঘুরছে খালি। আর হ্যা। এক সপ্তাহ ১ দিন আগে আমাদের যেদিন দেখা হল, সেটা আমি কিন্তু এখনো ভুলি নাই। তোমার হাসি নিয়ে কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। পরে আর লিখা হয়ে উঠেনি। তোমার হাসি আমার এখনো কানে বাজে। হেহে তুমি বলেছিলে পেত্নির হাসি। খিকজ। খিকজ। আজকে আর লিখবো না কাজে বসবো। অনেক দিন কাজ করা হয় না। কাজ না করলে তো হাতে পয়সা আসবে না।
তারিখঃ ৩০/০৯/২০১৭
সময়ঃ ১১.৩৯ রাত
কোথায়? বান্দরবনের গহীনে, কোন এক নাম না জানা পাহাড়ে, এক পাহাড়ীর বাড়ির মাচায় বসে মোবাইলের আলোয় গান শুনছি আর তোমাকে নিয়ে আমার কথা লিখছি আমার কাগজের ডায়রিতে।
তুমি তোমার কথা বলেই যাবা আর আমি শুনেই যাবো এদিক থেকে - অনেকদিনের মনের কোনে জমিয়ে রাখা কথাগুলো বলতে ইচ্ছা করবে কিন্তু তুমি হমমম বলে চুপ করে যাবা এই ভয়ে কিছুই বলতে পারিনাহ।
আমি তোমাকে ভীষণ ভয় পাই মেয়ে। এই ২৯ বছরের জীবনে সর্বপ্রথম কোনও রক্ত মাংসের রমনীকে এভাবে ভয় পেলাম। এইটা তোমাকে হারাবার ভয় নাকি ওপাশের নীরবতার ভয় এখনও বুঝে উঠতে পারলাম নাহ।
চারিদিকে অন্ধকার, মেঘ উড়ে উড়ে যাচ্ছে সামনে দিয়ে, ধরলেই হাত যায় ভিজে। আমি নিজেই এখনো মেঘের দেশে হারাই যাই এই আনমনে, তোমার সাথে কাটানো স্মৃতি লিখে রাখি এখনো আমার ডায়রিতে। মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে, মেঘের ডাক শুনছি। তুমি মেবি ঘুমিয়ে গেছো। ১৫ টা ওয়ার্ড বলেছো আজকে আমাকে। তোমার এই ওয়ার্ড গুলো দেখলে মনে হয় আমি এখনো তোমার ফ্রেন্ড হতে পারিনি। ২/৩ দিন নক করি নাই, কারন তুমি নিজেই বিজি। আমি আর কি বলবো? আমি নিজেই ছিলাম অনেক প্যারায়। অফিসের প্যারা, জীবন নিয়ে প্যারা। যাক ঘুরতে এসে মন ভাল লাগছে। ২ দিন ভালোই কাটছিল। কিন্তু কালকে ভোর রাতে তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলাম। একবার না, দুইবার। প্রথমবার হালকার উপর ঝাপসা, পরের বার একদম ডিটেইলে দেখলাম।
স্বপ্নের কথা সামনে দেখা হলে বলব। তুমি বিশ্বাস করবে কিনা জানি না, যা দেখেছি তা সত্যি হলে স্বপ্নে যেভাবে কেদেছি, সেভাবেই কান্না করা লাগবে। আমি স্বপ্নের মাঝে লাইফে ২ বার কান্না করছি। লাস্টবার কালকে। ইভেন আমি যেখানে শুয়ে ছিলাম, পাশেই আমার এক ফ্রেন্ড ছিল, আমারে ধাক্কা মেরে উঠাই বলতেছে কিরে চিৎকার করে কান্না করতেসস কেন? সারাটাদিন আমার মাথায় তুমি আর তুমি ঘুরছে। সকালে এমন জায়গায় ছিলাম যেখানে নাই নেটওয়ার্ক, সন্ধ্যায় আর্মি ক্যাম্পে এসে পেলাম নেটওয়ার্ক, তখনই জানালাম। তোমকে পেলাম। সত্যি অনেক মিস করছি তোমাকে আজকে।
নাহ, তোমাকে আমি ভুলতে পারবো না। এটা বুঝে গেছি। তোমার ১৫ টা ওয়ার্ড গুনলাম, Valo, U, khub valo, gd, oh, hmm, 10, enjoy, dinner done, gd, enjoy, gd nyt.........
তুমি অনেক অদ্ভুত মেয়ে। তোমাকে আমি রাগাইছি, তাই নিয়ে রাগ করে বসে আছো। বুঝেছিতো রাগাইছি, তাই বলে কথাই কবে না?? কথা কইবাই বা কেনো? আমি তো তোমার আপন কেউ না।
হঠাত করেই হেডফোনে বেজে চলছে
You were the shadow to my light
Did you feel us?
Another star
You fade away
Afraid our aim is out of sight
Wanna see us
Alight
Where are you now?
Where are you now?
Where are you now?
Was it all in my fantasy?
Where are you now?
Were you only imaginary?
Where are you now?
Atlantis
Under the sea
Under the sea
Where are you now?
Another dream
The monster's running wild inside of me
So lost, I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
These shallow waters never met what I needed
I'm letting go a deeper dive
Eternal silence of the sea. I'm breathing alive
Where are you now?
Where are you now?
Under the bright but faded lights
You've set my heart on fire
Where are you now?
Where are you now?
Where are you now?
Atlantis
Under the sea
Under the sea
Where are you now?
Another dream
The monster's running wild inside of me
I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
I'm faded
আজ আর লিখবো না, আশা আছে তোমার সাথে আমার দেখা হবে। অনেক কথা বলবো মন খুলে, ইচ্ছে করবে তোমার সব কথা শুনতে, ইচ্ছে করবে তোমাকে সামনে নিয়ে বসে তোমাকে দেখতে। সামনের উকেন্ডে আবার যাচ্ছি সিলেটে। এই মাস থেকে আবার ঘুরাঘুরি শুরু করলাম, মনটা ভালো না। মনটা ভালো করে নেই। তার উপর তুমিও যদি রাগ কর আমি কই যাবো বল? টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে। লিখা বন্ধ রাখলাম ১০ মিনিট, আর তোমাকেই ভাবছিলাম আর গান গাচ্ছিলাম।
যেখানে তোমার ঠোঁট ভালোবাসা
আমি বুড়ো কবিতার মত চুপচাপ
যেখানে তোমার চোখ খুনী
যাই অনেক রাত হল, সকালে অনেক জার্নি করা লাগবে, ঢাকা আসবো। এই যে লিখছি তোমাকে নিয়ে আমার কথা, এসব কি তুমি কোনদিন পড়বা?
তারিখঃ ০৩/১২/২০১৭
সময়ঃ ০৮.৪৪ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
আমার বাসায় আসছি সেই কখন ৬.৪৫-এ। আজকে অফিসে তেমন কোন প্রেশার ছিল না। তাই আজকে কাজের ফাকে অনেক কিছু ভাবলাম। লাইফে আমার কি কি হল না হল, কেন হল, যদি সেটা না হত কি হত। আমার মনে হয় লাইফটাকে আমরা অন্যভাবে দেখলে অনেক ভালো কিছু হত। আধ্যাতিক কথা বার্তা হয়ে যাচ্ছে বেশি। তুমি আবার এসব লাইক কর না। লেখাগুলো যেহেতু তোমাকে নিয়েই, সো তুমি পড়ে একটু খুশি হবা তাই লিখি, আর আমার এসব কথা তোমার শুনার সময় কই? আমি তাই নিজে নিজে লিখে রাখি। আমি লাইফে অনেক কিছু পেয়েছি। অনেক কিছু হারিয়েছি। বাট কাউকে কিছু যখন দিয়েছি মন থেকে দিয়েছি।
অনেকদিন পর লিখতে বসলাম। তুমি সিলেট গিয়েছো ঘুরতে। আমার খুব ভালো লেগেছে তুমি অন্তত বের হয়েছো। এই যে সারাদিন আজকে মজায় কাটাচ্ছো, এসব মেমরি লাইফে ফিউচারে অনেক মনে হবে। তাই আমি আমার সার্কেলের সাথে ঘুরাঘুরি বেশি করি। সার্কেলের বাইরের কারো সাথে ঘুরি না। ঘুরলেও মজা পাই না। আমার কথা হচ্ছে ঘুরবো তার সাথেই যার সাথে মজা পাওয়া যায়। আমার ঘুরার ছবি দেখে অনেকে কষ্ট পায়, বলে রণ তুমি এত এত ঘুরো খুব হিংসে হয়। আমি মজা করি সব জায়গায়। বাট কিছু যায়গায় চুপ হয়ে যেতে হয়।
তোমার সাথে থাইল্যান্ডের ট্রিপ, মজাই মজা। তোমার সাথে আমার ডিল সেটাই কালকে যা বলেছিলাম।
- তুমি শপিং করবে, আমি তখন ঘুমাবো, কিন্তু ২/৩ দিন তোমার সাথে শপিং এ যাবো যেন মাইর না দাও আমারে।
- তোমার ছবি তুলার সখ সব পিক তুলে দিবো। সেলফি তুলে হাত আর কত ব্যাথা করবা?
- আর আমি তো বলেছি তোমাকে রুমে রেখে রাতে বের হব পার্টি দেখতে, দেখি নাইট লাইফ কি রকম। হেহে। চাইলে তুমিও আসতে পারো। জানি তো রাগ করে গাল ফুলাই রাখবা। আমি যখন সকালে আসবো ফুল নিয়ে আসবো নে। আমাকে ২/৩ ঘন্টা ঘুমাতে দিও, পরদিন যাও শপিং এ সব মালামাল আমি টানবো নে। আর দুপুরের খাবার বিল আমার। হেহে
- বিকালে বের হব ঘুরতে দুইজন। হুয়াহিনে একদিন, সারাদিন সেখানেই কাটাবো। বাঞ্জি জাম্প দিবা? আমি মিস করবো না। তুমি দেখবা আর পিক তুলবা। হিহি।
হাহা হাহা হাহা কত কত স্বপ্ন। হাসি পায়।
তারিখঃ ১৭/০২/২০১৮
সময়ঃ ১২.৫৬ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
আজকে ১৭ ফেব্রুরারী? কয় কি? এত দিন আমি তোমাকে নিয়ে কিছু লিখি নাই? আসলে তোমাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে আর লিখা হয় নি। লাস্ট লিখেছিলাম ০৩/১২/২০১৭ অনেক দিন টাইম ও পাচ্ছিলাম না, লিখবো লিখবো করে লিখাও হয়ে উঠে নি। তুমি গত পরশু চলে গেলে বাইরে, ফোন দিয়েছো আমার চোখের পানি বের করেই ছাড়ছো। আমি মনে করেছিলাম তুমি কল/মেসেজ কিছুই দিবে না, আমিও চাই নাই যাবার বেলায় আর তোমাকে কল/মেসেজ/নক দেই। আমি তো এমনেই যেদিন শুনেছিলাম তুমি যাবা গা সেদিন থেকেই মন দিল খারাপ। কি বলব আর? তোমার ভয়েস শুনে আমি কিছু বলতে পারছিলাম না। জানি না এত এত ফিল কেন তোমার প্রতি আমার? একদম বাচ্চাদের মত হয়ে যাই, পাগলামি বেশি বেশি করি তাই।
গত ১২ তারিখে তুমি করলে আমার সাথে রাগ, অনেক রাগ। আমি বুঝতেই পারি নাই তুমি এমন রেগে যাবে। আমি তো রাগ করার জন্য বলিনি। তুমি রাগ করছো দেখে আমি আর কিছু বুঝাই নাই। দুইদিন নকও দেই নাই। তুমি ফাল্গুনের কথা বললে। ভ্যালেন্টাইনের উইশ করলে। আমি হুম হুম করে কাটাই দিয়েছি দিন। তুমি হয়তো মনে করেছো তোমাকে আমি একটিবারের জন্য মনে করিনি? একটি বারের জন্য ভাবিনি?
আমি প্রতি মিনিটে মেসেঞ্জারে চেক করছিলাম, এই বুঝি তুমি নক দিবে। কখন তুমি লাস্ট মেসেঞ্জারে ঢুকো সেটা দেখেই দিন পার করেছি আর তোমাকে নিয়ে ভেবেছিলাম। আর ভাবছিলাম তুমি আমাকে বলেছো যে, তুমি আমার কাছে কি "গোপন" কর? এই টাইপ কথা আমি কেন বলি তোমাকে? কেন আগেও আমি বলছিলাম? এসব নিয়ে তুমি অনেক রাগ করেছো, তোমার মুড দিয়েছি খারাপ করে।
প্রথমত আমি স্যরি বলে নিচ্চি। সেদিন আমাকে বলার চান্সই দাও নি। কিভাবে বলব? "গোপন" Word টা আমি আসলে ইউজ করেছি ভুলে। চয়েজ অব ওয়ার্ড সেই সময়ে খারাপ ছিল আমার। বিষয়টা বুঝাই না বললে তুমিও ভুল জেনে থাকবে, আবার আমিও শান্তি পাচ্ছি না না বলে। তোমার সাথে আমার ১ বছরের কাছাকাছি পরিচয়, তাও আমাদের ভুল বুঝা বুঝি হচ্ছে, আমার কারনেই হচ্ছে, হচ্ছেও তাই। আমি চাই তোমার সাথে সময় উপভোগ করতে, রাগ না করতে। তুমি রাগ করবে তাতে আমি কষ্ট পাই। এসব আমাকে কষ্ট দেয়।
আমি চাই তুমি সারা জীবন হাসিখুশি থাকো। এটা আমার তোমার প্রতি উইশ। তোমাকে মনে মনে চাই এটা আমার সুপ্ত বাসনা। গোপনে গোপনে চাই এটা। ইচ্ছে করে তোমার বাসায় প্রপোজাল পাঠাই, অনেক স্বপ্নও দেখি। মনে হয় নাটক সিনেমার মত। তোমাকে বলেছি আগেও। যেদিনই মন চায় বলে দেই। আর তোমার উত্তরও আমি জানি। আমার ব্লগে সেটা লিখা আছে। নো মিন্স নো, আই রেস্পেক্ট ইউয়র ট্রু আন্সার। সো আমি এসব নিয়ে তোমাকে বিরক্তও করিনা। করতে চাইও না। আসলে পছন্দের কথা গোপন করি নাই আমি, বলে দিয়েছি। তাই আমি আবারো বলতে চাই আই রেস্পেক্ট ইউয়র ট্রু আন্সার।
সো আসল কথা বলার আগে এসব আবেগের কথা বলার একটা মানে আছে। সেটা হল, আমি সেদিন তোমাকে বুঝাইতে চেয়েছি, "তুমি হয়ত এমন একটা মেয়ে যে কিনা মনের কোনে সুপ্ত বাসনা গুলোকে খুব যত্ন করে ধরে রেখেছো যা হয়ত প্রকাশ করতে চাও না/ করো না।" আমি আবার বুঝাই নি যে আমাকেই সব কথা তোমার বলা লাগবে, আমি তোমার সামান্য একটা ফ্রেন্ড, হয়তো আর কিছুদিন পাশে থাকবো। চলার পথের একটা চাপ্টার মনে করবা। তাই বলে আমি বুঝাইনি যে আমাকেই বলতে হবে তোমার সব কথা। আমি তেমন ভাবছিও না, আশাও করি না, তারপরও তুমি আমাকে অনেক কথা বল, অনেক কথাই বলে ফেল। তোমার সব কথাই আমি মন দিয়ে শুনি, কয়েকবার ভাবি সেসব নিয়ে। আর আমি তোমাকে এমনেই কিছু বলার আগে ১০ বার ভাবি যাতে আমার কোন কথায় মন না খারাপ করে বস। সত্য কথা বলতে কি আমি তোমাকে হারাতে চাই না প্রথম দিন থেকেই বলে এসেছি, তোমাকে যেনো হঠাৎ করে পাওয়া মুল্যবান কিছু।
আবারো বলি,
খুব কষ্ট পাবো। ভাল থেকো।
তারিখঃ ২৭/০২/২০১৮
সময়ঃ ০৭.১০ সকাল
স্থানঃ আমার বাসা
ক্রাশের সাথে লাস্ট ৬/৭ দিন ইচ্ছে করেই কথা বলছিলাম না, করন আবেগটা বেড়ে যায় কথা বলতে গিয়ে, সেটা কমাচ্ছিলাম বিভিন্ন কাজে বিজি থেকে। কিছু আস্ক করলে হুম/হ্যা/না/ওকে বলে কথা আর বাড়াচ্ছিলাম না।
তো আজ সকালে আমাকে হঠাত জিজ্ঞেস করে-আপনার মন খারাপ? আমি- নাহ, কেন?
ক্রাশ- মনে হল
আমি- নাহ নাহ, আই এম ফাইন।
ক্রাশ-হুম
আমি-হুম।
কেটে গেছে দিন কেটে যাবে রাত! ভালো থেকো।
ক্রাশনামা-০১
তারিখঃ ২৮/০২/২০১৮
সময়ঃ ১২.০৫ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
কালকে রাতে আমার একমাত্র ক্রাশ ফোন দিয়েছিল ২ বার!!! যেটা এই বছরে ২য় বারের মত আমাকে অবাক করে দেয়ার মত।
প্রথমবার অবাক হয়েছিলাম যখন সে কল দেয় ১৫ ফেব্রুয়ারিতে দেশের বাইরে চলে যাবার বেলায়। আর কালকে কল দিল তাও আবার ২ বার! অবাক হবারই ব্যাপার। ক্রাশ বলে কথা!
তো সারাদিন ভাব মেরে রাতে আর না পেরে নক দিলাম-কালকে কল দিছিলা! (কপাল ভাল জিজ্ঞেস করে নাই, ধরেন নাই কেন ফোন?)
হ্যা দিয়েছিলাম স্যারি বলার জন্য! আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, আমি আবার কি করলাম?
তিনি বলেন-নাহ আপনি কিছু করেন নি, অনেক স্ট্রেসে ছিলাম কি না কি বলসি আপনাকে রিয়েলি স্যারি!
আমি আবার আগের চ্যাট হিস্ট্রি চেক করলাম, কাহিনী কি? কে কি করলো?
পরে ভাবলাম, ডেইলি ডেইলি যোগাযোগ করলে একটা ইন্টারেকশন কমে যায়। ৭/৮ দিন অফ রাখেন দেখবেন উলটা আপনার খোজ নিচ্ছে। আসলে আমি নিজেই ৭/৮ দিন নক করি নাই গতকালই বলছিলান, তার প্রতি আবেগটা কমাচ্ছিলাম।
ক্রাশনামা-০২
তারিখঃ ০৮/০৩/২০১৮
সময়ঃ ১০.০০ সকাল
স্থানঃ অফিস
গতকাল আমার একমাত্র ক্রাশ আমাকে বলে, আমি আমার পার্সোনাল লাইফ নিয়ে কোন কথা বলতে চাই না, কারো কথা শুনতেও চাই না।
এত কিছুর পরও আমি বেহায়া তার সাথে হাই হ্যালো করি, খোজ খবর নেই, হেন তেন যা তা..আবেগটা কমাইতে গেলেই ৩/৪ দিন পর নক করে বসে। আবেগ আবেগ আর আবেগ। কিছু হবে না জেনেও একটা বাজে ফিলিংস এখনি কাজ করছে। আমি এমন কেন? নিজের উপরই রাগ লাগতেছে।
#ক্রাশনামা-৪
তারিখঃ ১০/০৩/২০১৮
সময়ঃ ১১.৩০ সকাল
স্থানঃ আমার বাসা
কিছুক্ষন আগে ক্রাশ বলে, আপনিও চলে যাবেন বাইরে? প্লিজ ডোন্ট গো। রিকুয়েস্ট করছি যাবেন না। অনেক কষ্ট করা লাগবে আপনার। আমি তো দেশে চলেই আসতেছি। আপনি যখন চলে যাবেন আমি দেশেই থাকবো। তারপর 😞😔 এই ইমো গুলো চ্যাটে দিলো।
এ কিসের আলামত? কেউ একটু বুঝাই বলেন?
#ক্রাশনামা-৫
তারিখঃ ১৬/০৩/২০১৮
সময়ঃ ০২.৩০ ভর দুপুর
স্থানঃ আমার বাসা
ক্রাশের সাথে যেদিন শেষবার দেখা হয় সেবার সে এলার্জিতে ব্যাপকভাবে ভুগছিল। গরু/তেলের খাবারে তার খুব এলার্জি, তাও সে এসব খাবে। আমাদের দুজনেরই সেইম সেইম এলার্জি।
কথা সেটা না। কথা হল সেদিন সে খুব সুন্দর করে চোখে কাজল লাগিয়ে আসছিল আমার সাথে দেখা করবে তাই। বললাম, কাজল দিলে কেনো? চোখে আবার এলার্জি হয়ে যাবে তো। তখন সে বলে: হলে হউক, মেয়েদের চোখে কাজল না থাকলে লাগে নাকি সুন্দর?
আমি আর কিছু বলি নাই। এর পর সবজি মুরগি আর ফ্রাইড রাইসের অর্ডার দিলাম।
গ্রুপে আজকে গরু, কাজল নিয়ে পোস্ট দেখে মনে পড়ে গেল।
#ক্রাশনামা-৬
তারিখঃ ১৬/০৩/২০১৮
সময়ঃ ০২.৩০ ভর দুপুর
স্থানঃ আমার বাসা
বুঝলাম না, ক্রাশে আজ তিনদিন হল ২ বেলা করে গুড মর্নিং আর গুড নাইট বলে যাচ্ছে। ব্যাপারটা বুঝতেছিনা। ব্যাপারটা তাকে জিজ্ঞেস করে নেশা কেটে দিতে চাই না। চলুক না?
#ক্রাশনামা-৭
তারিখঃ ২৭/০৩/২০১৮
সময়ঃ ০৭.১৩ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
ক্রাশনামার কথা গুলো কোনদিন আমি আমার ক্রাশকে দেখাই নি। কি হবে দেখিয়ে? আমার দিকের স্বপ্নগুলো নেশার মতই থাকুক। তারপরও আশা করে বসে আছি যদি..
হয়ত কোন একদিন তুমি আমার নাম ধরে ডেকে বলবে, এই যে শুনছেন? অনেক তো আঠার মত লেগে ছিলেন আমার পিছনে, গত কয়েক বছরে একবারো ছেড়ে যান নাই। চান্স দিলে কি বিয়ে করতে পারবেন?
নেশার মতই সব লাগে তোমার কথা। মাঝে মাঝে হার্ট বিট ভালই মাপতে পারো। ভেবে নিয়েছি তাই তুমিই আমার একমাত্র নেশা। আর নেশা কেটে গেলে তুমিও ছুটে যাবে জানি। তাও আশা করে বসে আছি। তুমি যাকে খুজছো আমি তা না, আই নো। তারপরও...
তাই আজকাল আর খুঁজাখুঁজি করি কম তোমাকে। চেষ্টা করি মাঝে মাঝে তোমাকে ছাড়া কিভাবে থাকা যায়। হ্যা, বেশি কষ্ট না, কাজে ডুব মারলেই নেশায় ধরে না। আজকে তোমাকে নিয়ে এই আমার কথা।
#ক্রাশনামা-৮
তারিখঃ ২৩/০৫/২০১৮
সময়ঃ ১১.২৪ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
গত বছর ঠিক এই সময়টায় আমি আর আমার ক্রাশ সারাদিন চ্যাট করে দিন পার করতাম! আর আজ আমাদের এক বছর পর তেমন আর কথা নেই। গত ৫ দিন আগে তিনি আমাকে নক করে বলেন- কি এমন ব্যাস্ততা যে তার মেসেজের আন্সার দেয়া যায় না! তিনি জানেন না যে, আমিও তার সাথে কথা বলতে চাই, কিন্তু কথা বলি না কারন আবেগটা হু হু করে বেড়ে যায়! আবেগ কমাতে চাই। নিজেকে বেশি সস্তা করে দিয়েছিলাম আপনার কাছে, তাই দাম বাড়াচ্ছি বাজারদরের সাথে সমতা করার জন্য।
#ক্রাশনামা-০৯
তারিখঃ ১৭/০৬/২০১৮
সময়ঃ ১০.৫৮ সকাল
স্থানঃ আমার বাসা
সামনের মাসে ক্রাশের দেশে ঘুরতে যাবার প্ল্যান করছিলাম, ক্রাশকে বললাম তুমি কি একদিন আমার জন্য ম্যানেজ করতে পারবে তাহলে একটু ঘুরিয়ে দেখাবে শহরটা! শিউর করেছে ঘুরাবে। তাও কালকে ঈদের দিন সকালে কল করে বলতেছে, কি দেখবেন আর কেএল সিটি, কিছু নাই এখানে। কিন্তু আমার তো সিটি দেখার প্ল্যান না; তোমারে দেখার প্ল্যান। সেটা যদি বুঝতো।
আবার যখন বললাম আমি আবার সিংগাপুরও যাবো ১ দিনের জন্য, মিন মিন করে বলতেছে আমারো যেতে ইচ্ছে করতেছে! পরে আবার বলে আপনি আবার দেশে চলে যাবেন আমি একা কুয়ালালামপুর ফেরত যাব খারাপ লাগবে আমার।
দেখি ভিসা করতে পাসপোর্ট জমা দেয় কিনা সামনের মাসে, দিলে বুঝবো.... তার আগ পর্যন্ত আবেগ কন্ট্রোল!
#ক্রাশনামা-১০
তারিখঃ ০৭/০৪/২০১৯
সময়ঃ ১১.৩০ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
যখন তোমার সাথে দেখা করবো বলে তোমার দেশে যাবার সব আয়োজন করলাম, সেদিন হঠাত করে তুমি সারপ্রাইজ দিয়ে দেশে চলে আসলে। দোষটা তোমার দেশের, ভিসা দিতে দেরি করছিল আমাকে। তোমার দেশে গিয়ে দেখা হবে না বলে কি আর দেখা না করে থাকা যায়? তাই নিজের দেশেই দেখা করে জাম্পেশ খাওয়া দাওয়া করলাম দুজন মিলে ফ্লাইটের ২ ঘণ্টা আগে।
তোমার সাথে বুকিত বিনতাং আর কুয়ালা পারলিস হয়ে লাংকাউই যাওয়া হয়নি তো কি হয়েছে, আরেক দিন তো গাঊসিয়া, নিউমার্কেট ঘুরা হয়েছিল। 😂
#ক্রাশনামা-১১
তারিখঃ ২৩/১২/২০১৮
সময়ঃ বেলা ১০.২০ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত
স্থানঃ ধানমন্ডি, কাওরান বাজার বার কাউন্সিল, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, গাউসিয়া, টিএসসি, ধানমন্ডি, সবশেষে আমার বাসা।
ডেইট দেখে বুঝলাম অনেকদিন তোমাকে নিয়ে লিখি না, আসলে মনে মনে অনেক কথা বলি তোমাকে নিয়ে, তাই মেবি লিখা হচ্ছিল না, আরেকটা ব্যাপার হল আমার পিসির সামনে অনেকদিন বসা হয় না। তবে তোমাকে নিয়ে সারা জীবন লিখে গেলেও আমার লিখা শেষ হবে না, কারন তোমাকে নিয়ে ভাবার সময় আমার অনেক, এত কথা মনে আসে যা মুখে হয়ত বলতে কোনদিন পারবো না কিন্তু লিখে রেখে রাখা যায়। আর আমি এরকমই অনেক লিখি, অনেক ভাবি কিন্তু হয়ত মুখে কম বলি। তাই আজকে সময় করে বসলাম, তোমাকে নিয়ে আমার গতকালের অনেক গরম গরম স্মৃতি। লিখে না রাখলে ভুলে যাবো হয়তো, পাপ হবে পাপ। আমি এই দিনের কথা ভুলে যাবো না অবশ্যই। কি না এক দিন কাটালাম আমি। জানি তোমার ভালো লেগেছে। তুমিই যাবার বেলায় বলেছো, ভালো না লাগলে কি তোমাকে আসতে বলতাম আমার সাথে? আহ, তোমার মুখে মধু আছে, এই সেই কথা যা শুনে আমি আসার বেলায় বাসে পুরা রাস্তায় আমার ঠোটের কোনে হাসি লেগেছিল আর আমি নিজে নিজেই হাসছিলাম। মনে হচ্ছিল আমি হাওয়ায় ভাসছিলাম। এটা অন্যরকম ভালোলাগা। নিজেকে মনে হচ্ছিলো আহ আমি মনে হয় ২০ বছরের রণ হয়ে গিয়েছি। একদম পবিত্র ভালোলাগা যাকে বলে।
তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মিনিট আমার ভালোলাগা কাজ করেছে। আমি তোমার কথা মন দিয়ে শুনেছি। অনেক কথা বলেছি, অনেক কষ্টের আলাপ করেছি, তোমার কাছে অন্য মেয়ের আলাপ করেছি, ফ্যামিলি নিয়ে আলাপ করেছি। কেন জানি কালকে তোমাকে সব বলেই দিয়েছি। আমি না তোমার কাছে কিছু লুকাতে পারি না। তোমার কাছেই আমি বার বার সব খুলে বলে দেই সব কিছু। আসলে তোমার কাছে আমার গোপন করার কিছু নাই। আমি যাকে খুব আপন মনে করি তাকে সব বলে দেই, সেই আপন মানুষ আমার আর কেউ নাই বললেই চলে, তুমি ছাড়া চোখ বন্ধ করলে কাউকে তো পাই না আপন ভাবার। সেখানে তোমাকে অনেক কথা বলেছি তাতে আমার কোন আফসোস নাই, তুমি মে বি এই শুনে আমায় অন্য কিছু ভাবতে পারো হয়ত আমায় নিয়ে তোমার অন্য ধারণা হতেও পারে, তারপরও বলবো আমি আজকের রণ সেই শুরুর রণই আছি, আগামিতেও থাকবো। হয়ত মনে মনে ভাবছো আমি তো তোমাকে অন্য কিছু মনে করছি না, যা হয়েছে হয়েছে। তবে কালকের দিনটা আমাদের জন্য অন্য রকম গিয়েছে। শেষবেলায় আমার এত ইচ্ছে হয়েছে তোমাকে বলতে ইচ্ছে করছিল আমার পাশেই বস, গরম লাগবে তাইলে।
এই দিনটার কথা মনে আছে? আমি লিখেছিলাম তোমাকে নিইয়ে আমার স্বপ্নের কথা? তারিখঃ ০৭/০৭/২০১৭, সময়ঃ রাত ৯টা বেজে ২২ মিনিট।
গাউসিয়াতে তোমার কেনাকাটায় আমার বিরক্ত কেন আসবে? তুমি সাথে থাকলে আমার কোনকিছুতেই বিরক্ত নাই। সারাদিন তোমার সাথে থেকে থেকে কত কিছু দেখলাম, করলাম, বুঝলাম। আমার সব কিছু ভালো লেগেছে। তবে এটা ঠিক তোমার আমার ঝগ্রা/মন কষাকষি হয় না। ভালো লাগার মানুষের সাথে আসলে এসব করে মজা নাই। আমার ভালো লাগে তোমাকে হাসাতে। নিজেকে তখন অনেক হ্যাপি মনে হয়। তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমার সেই ভালো লেগেছে। এরকম ভালো লাগা সারাটা জীবন থাকতো, হাসতে হাসতে মরে যেতাম। লাইফটাই অন্য রকম হত।
আজকে ভালো লাগার কথা এখানেই থামাচ্ছি। বেশি বললে তো পাগল বলে চালাই দিবা। তবে আসলেই তোমার জন্য আমি পাগলই।
তারিখঃ ১৩/০৪/২০১৯
সময়ঃ গভীর রাত ১.৫৩
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
অনেকদিন তোমার সাথে কথা হচ্ছে না ঠিক মতন, কিন্তু আবেগটা আগের মতই আছে। এমন না যে তোমাকে মিস করি না, তোমাকে কয়েকদিনই বলেছি তোমার সাথে কথা না বললে বুঝো না যে তোমাকে আমি ভুলে গেসি। আর আজকে লিখতে বসে দেখলাম তোমাকে নিয়ে আমার লিখা কথা ছিল সেই লাস্ট যেদিন আমাদের লাস্ট দেখা হয়েছে সেদিন। দিন কিভাবে চলে যায় তাই না? অবাকই লাগে। এর মাঝে আমার জন্মদিন চলে গেল, ভেবেছিলাম তুমি হয়ত নক করবে। করনি। বিজি ছিলে ম্যায়বি। কম্পিউটার নিয়ে আসলে বসা হয়না, আগের মত টাইমও পাই না। লিখা লিখিও হয় না। এরই মাঝে তোমার সাথে আমার ডেইলি কথা হয়। আসলে তোমার সাথে কথা না হলে আমার দিন শুরু হয় না। ঘুম থেকে জেগেই তোমার কথা মনে পড়ে তখনই মর্নিং মেসেজ দেই। কোন কোন দিন তুমি দাও। উফ আমার যা ভালো লাগে তোমার মর্নিং লিখা মেসেজ পড়তে। এরই মাঝে তোমাকে নিয়ে এক জায়গায় কিছু লিখে রেখেছিলাম।
তারিখঃ ০৫/০৪/২০১৯
সময়ঃ গভীর রাত ০১.১০
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
গাউসিয়াতে তোমার কেনাকাটায় আমার বিরক্ত কেন আসবে? তুমি সাথে থাকলে আমার কোন কিছুতেই বিরক্ত নাই, ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারি এভাবে।
তারিখঃ ০৬/০৪/২০১৯
সময়ঃ গভীর রাত ০২.০৯
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
জানি তোমার ফুসকা লাগে ভালো। তাই সারা বছর বিদেশ থাকার পর যখন দেশে আসো তুমি, আর আমার সাথে তোমার দেখা হয়, তখন তোমার জন্য এই সামান্য ফুসকার আয়োজন। 😊😍
তারিখঃ ০৯/০৪/২০১৯
সময়ঃ দুপুর ১২.২৮
স্থানঃ অফিসে বসে WhatsApp এ চ্যাট।
আমিঃ তোমাকে পাওয়া আমার জন্য ভাগ্যের ব্যাপার, তোমার মত এমন মেয়ে একটা পাওয়া অনেক ভাগ্যের। তুমি আমার ফ্রেন্ড হও, আর যাই হও, তোমাকে আমি যেদিন থেকে পেয়েছি সেদিন থেকেই পাগলের মত লাইক করি। তোমাকে না দেখলে খারাপ লাগে, দেখা না হলে মন ছটফট করে, আবার দেখা হলে সেই ছটফটানি কমে শান্তি লাগে। দিনে ২/৪ টা কথা কউ তুমি অনেক ভালো লাগে আমার। ভাল লাগার শেষ নাই আসলে তোমাকে ঘিরে।
তুমিঃ পাগল
আমিঃ সত্য কথা এত বছর তোমার সাথে আমার কথা হয়, পরিচয়, সম্পর্ক এসব ভেবে অবাক হই। কত দিন পার করে ফেললাম আমরা। কত মেমরিজ আমাদের। কত কথা আমাদের। তাই ভালো লাগে এসব ভাবলে। এমন কাউকে আমি লাইফে পাই নাই। তাই আমি বলি সেই কথা বার বার...
তুমিঃ জ্বী পাগল মিয়া, বুঝছি।
আমিঃ তোমার সাথে আমার কাটানো সময়গুল অন্যরকম। এমন করে খুব কম টাইমই লাইফে পাস করেছি। তুমি আমার স্পেশাল পার্ট অফ লাইফ। এত মায়া তোমার উপর তুমি বুঝ কিনা জানি না। অই যে মনের একটা টান লাগে সব সময়। চোখের সামনে তোমার চিন্তা আসে, কিছু করতে গেলে তোমার কথা ভাবি, দোয়া করতে গেলে তোমার জন্য সবার আগে করি। অন্যরকম একটা ভালো লাগা।
তুমিঃ Can"t believe that. You are really mad.
তুমি আমাকে সব কিছুতে বিশ্বাস কর এটা আমার একটা বড় পাওনা। আমার একটাই চাওয়া তোমাকে সারাজীবনে কাছে পাওয়া। আর আফসোসটা এই কারনেই।
তারিখঃ ১৩/০৪/২০১৯
সময়ঃ রাত ১১.৩০
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
আজকে ক্রাশ নক করে বলে, হাই, কি করেন? খবর নাই, কি হয়েছে? সিক নাকি?
আমি ২ মিনিট পরেই নক দিলাম, হ্যালো। আমি ওকে আছি।
এরপর তিনি যা বললেন তাতে আমি প্রস্তুত ছিলাম না। বলল, রণ আমার না ভয় করছে, আমাকে কেউ যদি আগুন দিয়ে পুড়াই দেয়? আমার দেশে আসতে ভয় করে। মানুষ অনেক জ্বালায়।
আমার সঙ্গে সঙ্গে বুকটা কেপে গেল। কথা বাড়াতে আর পারলাম না। কিছুক্ষন পর নক দিয়ে বললাম তোমার কিছু হবে না। দেশে আসবা কবে? কিছু বলে নাই আর।
রাগে মনে মনে বলছিলাম, আমি তো ভালা না এবার ভালা নিয়া থাক।
তারিখঃ ০২/১১/২০১৯
সময়ঃ রাত ০৭ঃ ৪৩
স্থানঃ আমার রুম, ভিক্টোরিয়া, বিসি, কানাডা
যেদিন ঢাকা ছাড়লাম তোমার সাথে দেখা আর সেদিন হয়নি, আগের রাতে অনেকক্ষন তোমার হাত ধরে ছিলাম, তুমিও ছাড়োনি, আমিও ছাড়তে চাইছিলাম না। কেনো যেন নির্ভরতা পাচ্ছিলাম তোমাকে ছুঁয়ে। সব খারাপ লাগা নিমিষেই উবে যাচ্ছিল বার বার। যাবার বেলায় তোমার চোখের দিকে তাকাই নাই, তাকালেই কান্না করে দিতাম। তুমি আমার লাইফের কি জিনিষ এটা আমি আর আমার খোদা জানে। তুমি বুঝেও বুঝবে না এসব। তোমাকে বাসায় নামাই দিয়ে সেদিন আমি তোমাকে দেখা যাওয়া পর্যন্ত তাকাই ছিলাম। কেন জানি না। এর পর হেটে বাসায় গেলাম। গুনছিলাম আর কত ঘণ্টা আছে যাবার।
লাস্ট তিন-চার দিন খুব বাজে সময় গিয়েছে, ফ্লাইট জটিলটা নিয়ে আমার খুব মাথা ব্যাথা ছিল। সেসব তুমি যখন শুনলে আমার থেকে, শুধু একটা কথাই বলেছিলে- রণ, আমাকে কি একটাবার জানানো যেত না এত বড় ঘটনা? আমি চুপ ছিলাম। আমার কিছু বলার ছিল না তখন।
যাবার বেলায় আবার বলেছিলে, "না গেলে হয় না?" আমি উত্তর দিতে পারি নাই। মনে হয় না আর দেখা হবে জীবনে এই ভেবেই তোমার সাথে শেষ এক মাস টানা দেখা করেছি সুযোগ পেলেই, তুমিও বাসা থেকে এটা সেটা বলে আমার জন্য, হ্যা শুধু আমার জন্য ঘর থেকে বের হতে। দেখা হলে রিক্সা করে ঘুরতাম। এখানে সেখানে ফুসকা চটপটি সাথে হেটে হেটে তোমাকে বাসা পর্যন্ত এগিয়ে দেয়া, এসব ভাবলে না বুঝছো কান্না পায় মাঝে মাঝে।
গত দুইমাস তোমাকে নিয়ে লিখার টাইম পাই নাই, জানো তো তোমাকে নিয়ে আমি কিছু না কিছু লিখি, তোমাকে মেসেজ না দিতে পারলেও সব কথা লিখে রাখি। আর সব কথা কি মেসেজে দেয়া যায়?
আজকে দুপুরে আর ইচ্ছে হচ্ছিলো না লিখি। স্বপ্ন যখন দেখি তখন কি যে ভালো লাগা কাজ করে। আবার যখন ভেঙ্গে যায় রাজ্যের হতাশা গ্রাস করে। আর সেই হতাশার অর্তনাদে হিচড়ে পড়ছে বেদনা। দূষিত করেছে আমায় সমাজের নিত্য চাপে।
মানুষ এগিয়ে যায় অন্যসময়ে, আকাশ বদলে যায় অন্য আকাশে, জীবনের চাহিদা কিছু বাকি রয়ে যায়। হৃদয়ের পাখি এখনো বন্দী খাচায় জীবনের সীমানা দূরে দেখা যায়।
মুক্তির সিঁড়ি পেরিয়ে কে বা কার দেখা পায়? থাক কাব্যিক কথা আর না বলি।
তুমি কাল রাতে যা বলেছো তা মাথার মাঝে আমার এখনো ঘুরে। ভুলতেই পারি নাই। সে যাই হোক তোমাকে সেটা সকালেই বুঝাই বলে দিছি। এই নিয়ে আর কথা বলতে চাই না।
রাজকীয় বউ পড়ে আমার অনুভুতি অন্যরকম। আমরা নোয়াখাইল্লা, শুদ্ধ ভাষা জানি না, অনেকে বলে আমরা খ্যাত, চরের দেশের লোক, পড়ালেখা জানি না, সারাদিন আমাগো কাজ মানুষের লগে ভেজাল লাগানো, হেন তেন হাবিজাবি। অনেক খারাপ দেশের মানুষ আমরা।
আর আমাদের কপালে থাকে সেই খেত থেকে উঠে আসা মেয়েরা যারা আমাদের নানি দাদি চাচি মামি খালা ফুপি আম্মারা বোনরা, সামনে হবে বউরা, নিজেদের মেয়েরা।
কালকে তোমার সাথে দেখা করা নিয়ে কি সব গল্প বানাইসি, উচিত হয়নি এসব ভাবা/লিখে রাখা, আবার তোমাকে দেখাইছিও। কি যে করলাম আমি। থাক এখন আর লিখবো না। যাই নামাজ পড়ে আসি।
তারিখঃ ০৯/০৭/২০১৭
সময়ঃ সন্ধ্যা ০৮ টা বেজে ৩৫ মিনিট।
স্থানঃ আমার বাসা।
হাহাহাহাহাহহাহা। আজকে আমার রোমান্টিক মুডে আছি, মেডাম আমার মুড খারাপ করতে আসছে, হেহে, নিজেরই মুড খারাপ হয়ে গেছে। হিহিহি। প্রসঙ্গটা ছিলো আমার বিয়ের কার্ড, গয়না নিয়ে। হেহে। আমার হাসি পাচ্ছে খুব।
তারিখঃ ০৯/০৭/২০১৭
সময়ঃ সন্ধ্যা ১০ টা বেজে ২৩ মিনিট।
স্থানঃ আমার বাসা।
ওয়েস্টলাইফ এক সময়কার খুব মারাত্মক রোমান্টিক ব্যান্ড ছিল। ছোটকালের প্রেমের সব লিরিক্স ওয়েস্টলাইফ, ব্যাক স্ট্রিট বয়েজ থেকে চুরি করা। আজকে গানটা এখন দেবার পর ভালো লাগলো। অনেক দিন পর গানটা শুনলাম। গানের কথা গুলা একদম হার্টে গিয়ে লাগে।
I wanna grow old with you
I wanna die lying in your arms
I wanna grow old with you
I wanna be looking in your eyes
I wanna be there for you
Sharing in everything you do
I wanna grow old with you
ব্যাপারটা সেই কিন্তু। তোমাকে নিয়ে কি স্বপ্ন দেখি জিজ্ঞেসা করেছিলে। বুঝিয়ে বলতে পারি নাই। পারবোও না।
Pasito a pasito, suave suavecito
Nos vamos pegando, poquito a poquito
আসল অর্থঃ Step by step, gentle soft
We are going to stick a little bit
এটা মজার অর্থঃ বাসিতো বাসিতো, ভালোবাসিতো,
সব মেয়েরে আমি ভালোবাসিতো।
আমার অর্থঃ বাসিতো বাসিতো, ভালোবাসিত,
তোমারে আমি ভালোবাসিতো।
কত বিষাদে কত বিরহে কত প্রহর কেটে গেছে, বোবা সময়ে মৃদু পরশে সব যন্ত্রণা মুছে গেছে।
তারিখঃ ১৯/০৭/২০১৭
বাজে ৮.৫২ মিনিট
স্থানঃ আমার বাসা।
আজকে ১০ দিন পর লিখতে বসলাম। তুমি নাকি ঢাকায়। আমার যে কি খুশি লাগছে। কত কাছে তুমি। ইশ যদি দেখা হত? আজকে দেখা হলে তো কথায় ছিলো না। একদম ডিনার করে বাসায় পোঁছে দিয়ে আমি আসতাম তোমাকে।
আজকে মজা করতে করতে তোমাকে দুপুরে সিরিয়াস কথা বলে ফেলেছি। জানি বিরক্ত হও। কোনদিন যে ব্লক মেরে দাও সেই ভয়ে আছি। মোবাইলে বসে আছি তোমার নক কথন আসবে।
আজকের ওয়েদারটাও সেই, ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস। ভালোই লাগছিল। জানি না এই বাতাসে রিক্সা জার্নি কেমন হয়, তোমার চুল কি খুলে আসতা আজকে? চুল কি বাতাসে উড়তো? আমার গালে এসে ঝাপ্টা দিত? তুমি মাঝে মাঝে চুল খোপা করে নিতে, আমি ছুতা ধরে চুল খুলে দিতাম। এক সময় বিরক্ত হয়ে দিতা চিমটি। আমি তাও একই কাজ করতাম। আমি তো তাই তোমার খোলা চুলের সুবাস নিতে, তুমি বুঝতে পারতা, আমি তো জানি তুমি চাইছিলে আমিও যেন তোমার চুলে হারিয়ে যাই।
রিক্সা করে ঘুরাটা আমার কাছে অনেক রোমান্টিক মনে হয়, জানি না গরীবের ভালোবাসা একেই বলে হয়ত। পাশা পাশি বসে সামান্য বৃষ্টির ছিকা গায়ে পড়বে, আরো জড়সড় হয়ে পাশে এসে বলবে এই রণ হুডটা তুলে দাও না ভিজে যাচ্ছি। আমিও বাধ্য ছেলের মত হুড তুলে মামাকে বলব মামা পলিথিন দাও। পলিথিনের এক কোনা তোমার হাতে আরেক কোনা আমার হাতে ঠিক যেন আমাদের ভালোবাসার মত। অনেকদিনই বৃষ্টিতে ভিজার সখ ছিল, আজ কেন যেন ইচ্ছে পূরণ করতে ইচ্ছে করছে। থাকবা তো আমার জীবনে পলিথিনের মত ভালোবাসার চাদর হয়ে? উত্তর জানতে আর ইচ্ছে করে না। জানি যে স্বপ্নভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাইতো স্বপ্ন দেখার সীমানা ছোট করি না।
-চল আজকে ফ্রাইড রাইস খাই? (আমি)
- আজকে? এখন? (তুমি বললে)
-কেন? ভাত খাবা নাকি?
-না, তা বলি নি।
-চাইনিজ? মেক্সিকান? ফিউশান? হাবি জাবি স্কুইড, পোকা মাকড়?
- উফফ রণ মেজাজ খারাপ কর কেন?
-তাইলে চল না? বিরানী খাই?
তুমি তো চিৎকার দিয়ে উঠলে...ইইইইইইইইইইইইইইইই মোটা হয়ে যাবো।
আমি বলি ইশ মুটু হলে হবা, খাওয়া কমানি যাবে না। আচ্ছা শুনো না, শংকরে নাকি একটা রেস্টুরেন্ট আছে "ওজ" সেখানে নাকি সামনা সামনি বসে ৩০০ টাকার খাবার কিনে ভরপুর ভালোবাসা করা যায়?
উফ আজকে আমার মাঝে এত রোমান্স কেন? রোমান্স হবে না? সকাল সকাল আজকে তোমাকে যে গান দিছি, সেটা ছিল অসাম।
Súbeme la radio que esta es mi canción
Siente el bajo que va subiendo
Tráeme el alcohol que quita el dolor
Hoy vamos a juntar la luna y el sol
Time will heal it but now we feel it
Turn up the music and run pain away
লিরিক্সটা দেখে নিতে পারোঃ
Subeme La Radio | Enrique Iglesias | SEAN PAUL | Remix
দুপুরে ভয়ে ভয়ে বলেই দিলাম, প্রপোজালের কথা। হাহা। তুমি চলে যাবার পর বসে বসে ১০ মিনিট হাসলাম! মনে মনে তোমার প্রশ্ন কেন হাসলাম?উত্তরঃ কি কি কারনে আমি তোমার জন্যে ফিট হবো না/ তোমার আব্বু কেন আমাকে গালি দিবে তা ভেবে ভেবে। হাহা আবার হেসে নেই। হেহে। আবার হেহে।
কিছু কারন বলিঃ লল আবার হাসি পাচ্ছে। হেহে।
১. আমি নোয়াখাইল্লা
২. আমি প্রেম করছি কতগুলা
৩. **** /ড্যাশ-ড্যাশ করছি (বুঝে নিবা)
৪. ছাতার চাকরি করি
৫. বাড়ি নাই, গাড়ি নাই, টাকা নাই
৬. সবচেয়ে বড় কথা তো ভুলেই গেছি বলতে আমি তো ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার না, সরকারি চাকরি ও করি না, ব্যাংকার ও না!
৭. দেখতে যা তা, মাথায় কিছু নাই। লল।
৮. এটা আমার সারাজীবন মনে থাকবে তুমি আমাকে বলছিলা, "মরে গেলেও বিয়ে করবে না আমাকে।" (চ্যাট টাইম-৪.৪৭ মিনিট, তারিখঃ ১৩.০৭.২০১৭)
হাহা, এসব মনে পড়ে আমার অনেক হাসি পাইছিলো। জানি এসব কথা শুনে তোমার পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যাবে। বাট আমি সত্য কথা বলি। যা বলি সামনেই বলি। কিছু বাড়াই না, কিছুও কমাই না। তাই তো আমি নোয়াখাইল্লা। আর নোয়াখাইল্লারা খারাপ।
তারিখঃ ০৮/০৯/২০১৭
সময়ঃ ০৯.০৮ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
আজকে অনেকদিন পর লিখতে বসলাম। মাঝে তোমার সাথে ঝগড়া করে ৭/৮ দিন মেবি কথা হয় নি। আমি কথা বলার ট্রাই করেছিলাম, তুমি চেক করনি, মেবি বিজি ছিলে, মেবি রাগ করেছো অনেক। সে যাই হোক। আমি যখন তখন রাগ করি, যখন তখন আমার মুড ভালো হয়ে যায়। আমি এমনই। আমি যদি এমন না হই তাহলে আমার আমি বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। আমিত্ব বলে আমার অনেক গুনাগুন আছে। যা তুমি একটা দেখেছো। আমার অন্য ফ্রেন্ডরা অনেক বছর ধরেই জানে এসব।
হটাত করে একটা কথা মাথায় আসলো "আমাকে তুমি নোয়াখাইল্লা বলে গালি দাও না কেন আজকাল?"
কয়দিন আগের ঝগড়ার পর দেখি অনেক মেপে মেপে কথা বলছো। জানি না। আমার কথায় মেবি তোমার রাগ উঠে তাই এমন করে কথা বল আজকাল। জানি না বাবা। আমি অতশত ভেবে কিছু বলি না। যা বলি সামনেই বলি। তাই তো আমি নোয়াখাইল্লা। হাহা
তোমার মুডি মুডি ভাবটা ভালোলাগে, হিহি। আজকাল অনেক চুপ চাপ তুমি। আগের সেই ফারজানা আর নাই তুমি। হয়তো আমার সাথে তেমন আলাপ করতে চাও না। হেহে, কি বা আর আলাপ করবা, তুমি তো কিছুই শেয়ার কর না আমার সাথে। আমি কিছু বললে তা নিয়ে একটু আলাপ কর আর কি।
তোমাকে নিয়ে একটু পাশাপাশি বসতে ইচ্ছে করছে আজ। কাল থেকে তো অফিস শুরু হয়ে যাবে। ব্যস্ত জনজীবন। রুটিন মাফিক দিন যাপন। দম ফেলার ফুসরত নাই যেখানে। তুমি তো আর ঢাকা আসবে না, দেখাও আমাদের আর হবে না কোনদিন। নিয়মে অনিয়মে দিন কেটে যাবে। তুমি থাকবে তোমারি মত। তোমারি জন্য কথা থাকবে জমা আমার এই ব্লগে। জমা থাকা কথা এখানেই বলি নিজে নিজে। তোমার আমার লাস্ট ২/৩ মাসের কথার মাঝে আরো কত কথা জমা, সব লিখে রাখি এখানে এক কোনে। এক সময় তোমার আমার রাস্তা ভিন্ন হবে। রয়ে যাবে অনেক কথা। সেই কথা আর না জমিয়ে এখানে লিখে রাখলাম। মাঝে হয়তো ভুলেই যাবা একদিন। হয়তো একদিন রাস্তায় দেখা হয়ে গেলে আমি নাও চিনতে পারি। হাহা। কিছু মনে করিও না আবার।
বিকালে বলছিলাম প্রেমে পড়েছি তোমার। তোমার সাথে মিশতে, তোমার সাথে কথা বলতে, তোমার সাথে ঝগড়া করতে, তোমাকে নিয়ে ভাবতে, তোমাকে না দেখে তোমার প্রতি অন্যরকম ভালো লাগা, সেটা ভালোবাসায় চলে গেছে। হেহে সেসব সব মোহ - Infatuation (an intense but short-lived passion or admiration for someone or something)। হতে পারে। আমি ফান করেছি। কারন আমি জানি কেন আমি ফিট না তোমার জন্যে। আর তোমার দেয়া ১৩.০৭.২০১৭ এর কথাটা আমার চোখে এখন ভাসে, "মরে গেলেও বিয়ে করবে না আমাকে।" বিয়ে শাদি করা লাগবে না। ফ্রেন্ড হয়ে থেকো। বেস্ট ফ্রেন্ড ও হওয়া লাগবে না। ইভেন ট্রাস্ট করাও লাগবে না। কিছু পাওয়ার আশায় তোমার সাথে কথা বলি না।
লিখা এখন আর আসছে না।
তারিখঃ ১৭/০৯/২০১৭
সময়ঃ ১১.২৩ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল, দিনটা ছিলো শুক্রবার ১৫ তারিখ, হ্যা তোমার জন্মদিন। আগের রাতে তুমি হটাত আমাকে বলে বসলে আগামী কাল সন্ধ্যায় কি ফ্রি থাকবা? আমি বুঝে গেছি তখন, কি বলবা, আমি তাও ওয়েট করছিলাম, কি বল শুনি। পরে যখন বললে পার্টি আছে বুমার্সে তখন ১০০% দেখা হচ্ছে আমাদের।
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল
অবরোধে দেশটা ছিল অন্ধ
না গাড়ি, না বাস, না ট্রেন,
শুধু রিকশা ছিল;
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল
দেশটা ছিল শ্লোগানে মুখর
না স্কুল, না কলেজ, না অফিস,
শুনশান রাস্তা ছিল;
ছিল প্রেম আর অধিকারের দাবি
পথে পথে রাজনীতির ছবি
তবু স্বপ্ন ছিল।
অবরোধে দেশটা ছিল অন্ধ
না গাড়ি, না বাস, না ট্রেন,
শুধু রিকশা ছিল;
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল
দেশটা ছিল শ্লোগানে মুখর
না স্কুল, না কলেজ, না অফিস,
শুনশান রাস্তা ছিল;
ছিল প্রেম আর অধিকারের দাবি
পথে পথে রাজনীতির ছবি
তবু স্বপ্ন ছিল।
কী যে রোমান্স হয়ে গেল
যেদিন তোমার সাথে প্রথম প্রণয় হল
ছিল মিছিল, মিটিং আর পাল্টা ধাওয়া
হঠাৎ উত্তেজনা;
ছিল প্রেম আর স্বজন হারার শোক
জনমনে আহাজারি বিক্ষোভ
তবু আশা ছিল।
যেদিন তোমার সাথে প্রথম প্রণয় হল
ছিল মিছিল, মিটিং আর পাল্টা ধাওয়া
হঠাৎ উত্তেজনা;
ছিল প্রেম আর স্বজন হারার শোক
জনমনে আহাজারি বিক্ষোভ
তবু আশা ছিল।
কী যে স্বপ্ন ছুঁয়ে গেল
যেদিন তোমার সাথে প্রথম কথা হল
ছিল পিকেটার, ছিল জলকামান আর ছিন্নমূলের দল
ছিল প্রেম আর মিছিল নগরী
সারাদেশে ছিল সতর্ক দৃষ্টি
তবু আশা ছিল।
যেদিন তোমার সাথে প্রথম কথা হল
ছিল পিকেটার, ছিল জলকামান আর ছিন্নমূলের দল
ছিল প্রেম আর মিছিল নগরী
সারাদেশে ছিল সতর্ক দৃষ্টি
তবু আশা ছিল।
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল
অবরোধে দেশটা ছিল অন্ধ
না গাড়ি, না বাস, না ট্রেন,
শুধু রিকশা ছিল;
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল
দেশটা ছিল শ্লোগানে মুখর
না স্কুল, না কলেজ, না অফিস,
শুনশান রাস্তা ছিল;
ছিল প্রেম আর মিছিল নগরী
সারাদেশে ছিল সতর্ক দৃষ্টি
তবু আশা ছিল।
অবরোধে দেশটা ছিল অন্ধ
না গাড়ি, না বাস, না ট্রেন,
শুধু রিকশা ছিল;
যেদিন তোমার সাথে প্রথম দেখা হল
দেশটা ছিল শ্লোগানে মুখর
না স্কুল, না কলেজ, না অফিস,
শুনশান রাস্তা ছিল;
ছিল প্রেম আর মিছিল নগরী
সারাদেশে ছিল সতর্ক দৃষ্টি
তবু আশা ছিল।
সেই রাতে হালকা পাতলা একটু তুমি রাগ করলা। তাও আমি মাফ চেয়ে নিচ্ছি তোমাকে বেশি বেশি রাগাই বলে হেহে। আবার হেহে। সে যাই হোক, সেদিন আরেকটা কান্ড হল তোমার নাম্বার দিয়ে কল দিলে, মনে আছে এখনো ১৯ সেকেন্ড! আমি হ্যালো বলে বলতে গেছিলাম "তুমিই কি সেই ফারজানা?" ওমা দেখি তুমি রেখে দিয়েছো। হাহা। আমি ভাবছিলাম তোমার কি টাকা শেষ? নাকি কেউ চলে আসছে দেখে কেটে দিয়েছো? নাকি কথা বলতে চাচ্ছো না? নাকি সেট অফ হয়ে গেলো, এই সব ভাবতে ভাবতে আমার ৫ মিনিট গেলো। কি মনে করে কল ব্যাক করলাম, পরে আবার ভাবলাম এত রাতে কল দিচ্ছি বাজে দেখায়, তাও আবার আজকের দিনে, কি না কি মনে কর। তারপরেও দিয়ে দিলাম কল। হেহে তারপর দিলে আমার কল কেটে!! আমি ভাবলাম শিউর ডিষ্টার্ব করে ফেলছি। মনে মনে সরি বলছিলাম আর নিজেরে গালি দিচ্ছিলাম। তারপর তো তোমার সাথে চ্যাট করে ঘুম দিলাম মেইবি ২.৩০ এর দিকে। কেন জানি মনে হচ্ছিল বার্থডে মনে হয় আমার! আমার এত এত খুশি লাগে ক্যারে?
তোমারে নিয়ে তো আমার মজার মজা কথা কত কিছু মনে আসছে সেদিন। সারাটা দিন আমার গেলো তোমার কথা ভাবতে ভাবতে। কি বলব তোমাকে? দেখা হলে তুমি কিছু জিজ্ঞেসা করলে কি উত্তর দিবো? তোমার সামনে আমাকে লাগবে কি রকম? সার্ট পড়বো নাকি পাঞ্জাবী তোমাকে তাই জিজ্ঞেসা করলাম। কেন জানি আমি সেদিন মেরুন কালারেরটাই পড়ে গেলাম। এত ম্যাচিং হল কিভাবে? আমি তুমি তো কালার নিয়ে কথা বলিনি!! পরে আমি এটা নিয়ে ভাবছিলাম। আমি কাছাকাছি এসে তোমাকে মেসেজ দিলাম। তুমি বললে আসো রাইফেলে। এসে দিলাম কল। বললে পার্লারে। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, পার্লারে কি করে এই মেয়ে? আমি হেল্ভ্যাশিয়ার সামনে দাড়ালাম ২০ মিনিট। তোমার জন্যে অপেক্ষা। সে এক কঠিন অপেক্ষা। আহ। শেষ পর্যন্ত তুমি আসলে। তোমাকে খুব ভালো করে ২০ সেকেন্ড দেখলাম তুমি কি? যাকে আমি ১০ সেকেণ্ড করে দেখছিলাম মাত্র কয়েকবার। হ্যা আমার মনে যেরকম ফারজানার ছবি তুমি সেই ফারজানাই। আমার সামনে। তুমি মাশাল্লাহ অনেক লম্বা ছিলে বলে আমার খুব তোমার সাথে কথা বলে ভালো ফিল হচ্ছিল। ইভেন তোমার সাথে হেটেও অনেক মজা পাইছি। আসলে তোমার সাথে কাটানো ২ ঘন্টা ছিল আমার লাইফের অন্যতম সেরা ২ ঘন্টা, ইচ্ছে করছিল না তোমাকে সেদিন ছেড়ে যেতে। অনেক মিস করেছি সেদিন ফেরার পথে।
তোমাকে আমি অনেক আগে বলেছিলাম একটা কথা যে, তুমি আমার ক্রাশ। আর ক্রাশের সাথে দেখা করা, ফোনে কথা বলা, তার জন্মদিনে পাশে বসে খাওয়া, হাতে হাত টাচ লাগা, রিক্সায় পাশে বসা, তার সাথে ছবি তোলা, উফ। আমার মাথা আউলা ঝাউলা। আমার হ্যাং ওভার এখনো কাটেনি। নাহ আসলেই তুমি আমার ক্রাশ। আল্লাহ তোমাকে আমার ক্রাশ করেই পাঠাইছে। মাশাল্লাহ।
আর একটা কথা আমি তোমার জন্যে কিছু গিফট আনতে পারি নি। আমার আসলে গিফট জিনিষ নিয়ে কেমন জানি লাগে এসব, মানে আমি না পারি না। বাট শপিং এ গেলে কিনে দিতে পারি সব কিছু।
তারিখঃ ২৩/০৯/২০১৭
সময়ঃ ০৮.৩৯ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
কাল রাতে থেকে একটা গানই গাইছি শুনছি, তোমাকে শুনিয়েছিলাম, জানি না শুনেছো কিনা।
চুপচাপ বসে তুমি মেঘের আড়ালে
দূতেরা তোমায় নিয়ে গান লিখে যাবে
তোমার পথ চেয়ে সারাটা জীবন
আমার দিন রাত আজ হয়েছে পাগল
এই মন কিছু বুঝে না
জীবন তোমাকে ছাড়া
ঝড়িয়ে দাও অসীম অগচরে
ঝড়িয়ে দাও
ঝড়িয়ে দাও বৃষ্টির সুর ধরে
ঝড়িয়ে দাও তোমার শীতল প্রেমে
মেঘে উড়ে উড়ে
আসো বৃষ্টির সুরে ভেজা শালিকের কলরবে
যেটুকু সময় পাবো তোমায় কাছে
আপন করে নেবো ভুলে
এই মন কিছু বুঝে না
জীবন তোমাকে ছাড়া
ঝড়িয়ে দাও অসীম অগচরে
ঝড়িয়ে দাও
ঝড়িয়ে দাও বৃষ্টির সুর ধরে
ঝড়িয়ে দাও তোমার শীতল প্রেমে
কাল দুপুরে বললে তুমি মালেশিয়া যাচ্ছো! আমার যা মন খারাপ হইছে, আমি এক ফোটাও জানি না। সে যাই হোক, হয়ত এটা তোমার কাছে ধানমন্ডি থেকে উত্তরা যাওয়া আসার মত। পরে ভাবলাম আমি। হাহা। কাল রাতে তুমি ফ্লাইটে উঠার পর তোমার ফ্লাইট ধরে তোমার প্লেন ট্রেক করলাম। সারা পথ আমি প্লেনের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। সকালে whatsapp এ দিয়েছিলাম ছবি। খেয়াল করেছো মনে হয়।
চুপচাপ বসে তুমি মেঘের আড়ালে
দূতেরা তোমায় নিয়ে গান লিখে যাবে
তোমার পথ চেয়ে সারাটা জীবন
আমার দিন রাত আজ হয়েছে পাগল
গানটা মাথায় ঘুরছে খালি। আর হ্যা। এক সপ্তাহ ১ দিন আগে আমাদের যেদিন দেখা হল, সেটা আমি কিন্তু এখনো ভুলি নাই। তোমার হাসি নিয়ে কিছু লিখতে চেয়েছিলাম। পরে আর লিখা হয়ে উঠেনি। তোমার হাসি আমার এখনো কানে বাজে। হেহে তুমি বলেছিলে পেত্নির হাসি। খিকজ। খিকজ। আজকে আর লিখবো না কাজে বসবো। অনেক দিন কাজ করা হয় না। কাজ না করলে তো হাতে পয়সা আসবে না।
তারিখঃ ৩০/০৯/২০১৭
সময়ঃ ১১.৩৯ রাত
কোথায়? বান্দরবনের গহীনে, কোন এক নাম না জানা পাহাড়ে, এক পাহাড়ীর বাড়ির মাচায় বসে মোবাইলের আলোয় গান শুনছি আর তোমাকে নিয়ে আমার কথা লিখছি আমার কাগজের ডায়রিতে।
তুমি তোমার কথা বলেই যাবা আর আমি শুনেই যাবো এদিক থেকে - অনেকদিনের মনের কোনে জমিয়ে রাখা কথাগুলো বলতে ইচ্ছা করবে কিন্তু তুমি হমমম বলে চুপ করে যাবা এই ভয়ে কিছুই বলতে পারিনাহ।
আমি তোমাকে ভীষণ ভয় পাই মেয়ে। এই ২৯ বছরের জীবনে সর্বপ্রথম কোনও রক্ত মাংসের রমনীকে এভাবে ভয় পেলাম। এইটা তোমাকে হারাবার ভয় নাকি ওপাশের নীরবতার ভয় এখনও বুঝে উঠতে পারলাম নাহ।
চারিদিকে অন্ধকার, মেঘ উড়ে উড়ে যাচ্ছে সামনে দিয়ে, ধরলেই হাত যায় ভিজে। আমি নিজেই এখনো মেঘের দেশে হারাই যাই এই আনমনে, তোমার সাথে কাটানো স্মৃতি লিখে রাখি এখনো আমার ডায়রিতে। মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে, মেঘের ডাক শুনছি। তুমি মেবি ঘুমিয়ে গেছো। ১৫ টা ওয়ার্ড বলেছো আজকে আমাকে। তোমার এই ওয়ার্ড গুলো দেখলে মনে হয় আমি এখনো তোমার ফ্রেন্ড হতে পারিনি। ২/৩ দিন নক করি নাই, কারন তুমি নিজেই বিজি। আমি আর কি বলবো? আমি নিজেই ছিলাম অনেক প্যারায়। অফিসের প্যারা, জীবন নিয়ে প্যারা। যাক ঘুরতে এসে মন ভাল লাগছে। ২ দিন ভালোই কাটছিল। কিন্তু কালকে ভোর রাতে তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলাম। একবার না, দুইবার। প্রথমবার হালকার উপর ঝাপসা, পরের বার একদম ডিটেইলে দেখলাম।
স্বপ্নের কথা সামনে দেখা হলে বলব। তুমি বিশ্বাস করবে কিনা জানি না, যা দেখেছি তা সত্যি হলে স্বপ্নে যেভাবে কেদেছি, সেভাবেই কান্না করা লাগবে। আমি স্বপ্নের মাঝে লাইফে ২ বার কান্না করছি। লাস্টবার কালকে। ইভেন আমি যেখানে শুয়ে ছিলাম, পাশেই আমার এক ফ্রেন্ড ছিল, আমারে ধাক্কা মেরে উঠাই বলতেছে কিরে চিৎকার করে কান্না করতেসস কেন? সারাটাদিন আমার মাথায় তুমি আর তুমি ঘুরছে। সকালে এমন জায়গায় ছিলাম যেখানে নাই নেটওয়ার্ক, সন্ধ্যায় আর্মি ক্যাম্পে এসে পেলাম নেটওয়ার্ক, তখনই জানালাম। তোমকে পেলাম। সত্যি অনেক মিস করছি তোমাকে আজকে।
নাহ, তোমাকে আমি ভুলতে পারবো না। এটা বুঝে গেছি। তোমার ১৫ টা ওয়ার্ড গুনলাম, Valo, U, khub valo, gd, oh, hmm, 10, enjoy, dinner done, gd, enjoy, gd nyt.........
তুমি অনেক অদ্ভুত মেয়ে। তোমাকে আমি রাগাইছি, তাই নিয়ে রাগ করে বসে আছো। বুঝেছিতো রাগাইছি, তাই বলে কথাই কবে না?? কথা কইবাই বা কেনো? আমি তো তোমার আপন কেউ না।
হঠাত করেই হেডফোনে বেজে চলছে
You were the shadow to my light
Did you feel us?
Another star
You fade away
Afraid our aim is out of sight
Wanna see us
Alight
Where are you now?
Where are you now?
Where are you now?
Was it all in my fantasy?
Where are you now?
Were you only imaginary?
Where are you now?
Atlantis
Under the sea
Under the sea
Where are you now?
Another dream
The monster's running wild inside of me
I'm faded
I'm fadedSo lost, I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
These shallow waters never met what I needed
I'm letting go a deeper dive
Eternal silence of the sea. I'm breathing alive
Where are you now?
Where are you now?
Under the bright but faded lights
You've set my heart on fire
Where are you now?
Where are you now?
Where are you now?
Atlantis
Under the sea
Under the sea
Where are you now?
Another dream
The monster's running wild inside of me
I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
আজ আর লিখবো না, আশা আছে তোমার সাথে আমার দেখা হবে। অনেক কথা বলবো মন খুলে, ইচ্ছে করবে তোমার সব কথা শুনতে, ইচ্ছে করবে তোমাকে সামনে নিয়ে বসে তোমাকে দেখতে। সামনের উকেন্ডে আবার যাচ্ছি সিলেটে। এই মাস থেকে আবার ঘুরাঘুরি শুরু করলাম, মনটা ভালো না। মনটা ভালো করে নেই। তার উপর তুমিও যদি রাগ কর আমি কই যাবো বল? টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে। লিখা বন্ধ রাখলাম ১০ মিনিট, আর তোমাকেই ভাবছিলাম আর গান গাচ্ছিলাম।
তোমার শীতল চোখ ভিজিয়ে যায় আমায়
আমি বুড়ো কবিতার মত চুপচাপ
যেখানে তোমার চোখ খুনী
আমি খুন হই প্রতিদিন
যাই অনেক রাত হল, সকালে অনেক জার্নি করা লাগবে, ঢাকা আসবো। এই যে লিখছি তোমাকে নিয়ে আমার কথা, এসব কি তুমি কোনদিন পড়বা?তারিখঃ ০৩/১২/২০১৭
সময়ঃ ০৮.৪৪ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
আমার বাসায় আসছি সেই কখন ৬.৪৫-এ। আজকে অফিসে তেমন কোন প্রেশার ছিল না। তাই আজকে কাজের ফাকে অনেক কিছু ভাবলাম। লাইফে আমার কি কি হল না হল, কেন হল, যদি সেটা না হত কি হত। আমার মনে হয় লাইফটাকে আমরা অন্যভাবে দেখলে অনেক ভালো কিছু হত। আধ্যাতিক কথা বার্তা হয়ে যাচ্ছে বেশি। তুমি আবার এসব লাইক কর না। লেখাগুলো যেহেতু তোমাকে নিয়েই, সো তুমি পড়ে একটু খুশি হবা তাই লিখি, আর আমার এসব কথা তোমার শুনার সময় কই? আমি তাই নিজে নিজে লিখে রাখি। আমি লাইফে অনেক কিছু পেয়েছি। অনেক কিছু হারিয়েছি। বাট কাউকে কিছু যখন দিয়েছি মন থেকে দিয়েছি।
অনেকদিন পর লিখতে বসলাম। তুমি সিলেট গিয়েছো ঘুরতে। আমার খুব ভালো লেগেছে তুমি অন্তত বের হয়েছো। এই যে সারাদিন আজকে মজায় কাটাচ্ছো, এসব মেমরি লাইফে ফিউচারে অনেক মনে হবে। তাই আমি আমার সার্কেলের সাথে ঘুরাঘুরি বেশি করি। সার্কেলের বাইরের কারো সাথে ঘুরি না। ঘুরলেও মজা পাই না। আমার কথা হচ্ছে ঘুরবো তার সাথেই যার সাথে মজা পাওয়া যায়। আমার ঘুরার ছবি দেখে অনেকে কষ্ট পায়, বলে রণ তুমি এত এত ঘুরো খুব হিংসে হয়। আমি মজা করি সব জায়গায়। বাট কিছু যায়গায় চুপ হয়ে যেতে হয়।
তোমার সাথে থাইল্যান্ডের ট্রিপ, মজাই মজা। তোমার সাথে আমার ডিল সেটাই কালকে যা বলেছিলাম।
- তুমি শপিং করবে, আমি তখন ঘুমাবো, কিন্তু ২/৩ দিন তোমার সাথে শপিং এ যাবো যেন মাইর না দাও আমারে।
- তোমার ছবি তুলার সখ সব পিক তুলে দিবো। সেলফি তুলে হাত আর কত ব্যাথা করবা?
- আর আমি তো বলেছি তোমাকে রুমে রেখে রাতে বের হব পার্টি দেখতে, দেখি নাইট লাইফ কি রকম। হেহে। চাইলে তুমিও আসতে পারো। জানি তো রাগ করে গাল ফুলাই রাখবা। আমি যখন সকালে আসবো ফুল নিয়ে আসবো নে। আমাকে ২/৩ ঘন্টা ঘুমাতে দিও, পরদিন যাও শপিং এ সব মালামাল আমি টানবো নে। আর দুপুরের খাবার বিল আমার। হেহে
- বিকালে বের হব ঘুরতে দুইজন। হুয়াহিনে একদিন, সারাদিন সেখানেই কাটাবো। বাঞ্জি জাম্প দিবা? আমি মিস করবো না। তুমি দেখবা আর পিক তুলবা। হিহি।
হাহা হাহা হাহা কত কত স্বপ্ন। হাসি পায়।
তারিখঃ ১৭/০২/২০১৮
সময়ঃ ১২.৫৬ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
আজকে ১৭ ফেব্রুরারী? কয় কি? এত দিন আমি তোমাকে নিয়ে কিছু লিখি নাই? আসলে তোমাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে আর লিখা হয় নি। লাস্ট লিখেছিলাম ০৩/১২/২০১৭ অনেক দিন টাইম ও পাচ্ছিলাম না, লিখবো লিখবো করে লিখাও হয়ে উঠে নি। তুমি গত পরশু চলে গেলে বাইরে, ফোন দিয়েছো আমার চোখের পানি বের করেই ছাড়ছো। আমি মনে করেছিলাম তুমি কল/মেসেজ কিছুই দিবে না, আমিও চাই নাই যাবার বেলায় আর তোমাকে কল/মেসেজ/নক দেই। আমি তো এমনেই যেদিন শুনেছিলাম তুমি যাবা গা সেদিন থেকেই মন দিল খারাপ। কি বলব আর? তোমার ভয়েস শুনে আমি কিছু বলতে পারছিলাম না। জানি না এত এত ফিল কেন তোমার প্রতি আমার? একদম বাচ্চাদের মত হয়ে যাই, পাগলামি বেশি বেশি করি তাই।
গত ১২ তারিখে তুমি করলে আমার সাথে রাগ, অনেক রাগ। আমি বুঝতেই পারি নাই তুমি এমন রেগে যাবে। আমি তো রাগ করার জন্য বলিনি। তুমি রাগ করছো দেখে আমি আর কিছু বুঝাই নাই। দুইদিন নকও দেই নাই। তুমি ফাল্গুনের কথা বললে। ভ্যালেন্টাইনের উইশ করলে। আমি হুম হুম করে কাটাই দিয়েছি দিন। তুমি হয়তো মনে করেছো তোমাকে আমি একটিবারের জন্য মনে করিনি? একটি বারের জন্য ভাবিনি?
আমি প্রতি মিনিটে মেসেঞ্জারে চেক করছিলাম, এই বুঝি তুমি নক দিবে। কখন তুমি লাস্ট মেসেঞ্জারে ঢুকো সেটা দেখেই দিন পার করেছি আর তোমাকে নিয়ে ভেবেছিলাম। আর ভাবছিলাম তুমি আমাকে বলেছো যে, তুমি আমার কাছে কি "গোপন" কর? এই টাইপ কথা আমি কেন বলি তোমাকে? কেন আগেও আমি বলছিলাম? এসব নিয়ে তুমি অনেক রাগ করেছো, তোমার মুড দিয়েছি খারাপ করে।
প্রথমত আমি স্যরি বলে নিচ্চি। সেদিন আমাকে বলার চান্সই দাও নি। কিভাবে বলব? "গোপন" Word টা আমি আসলে ইউজ করেছি ভুলে। চয়েজ অব ওয়ার্ড সেই সময়ে খারাপ ছিল আমার। বিষয়টা বুঝাই না বললে তুমিও ভুল জেনে থাকবে, আবার আমিও শান্তি পাচ্ছি না না বলে। তোমার সাথে আমার ১ বছরের কাছাকাছি পরিচয়, তাও আমাদের ভুল বুঝা বুঝি হচ্ছে, আমার কারনেই হচ্ছে, হচ্ছেও তাই। আমি চাই তোমার সাথে সময় উপভোগ করতে, রাগ না করতে। তুমি রাগ করবে তাতে আমি কষ্ট পাই। এসব আমাকে কষ্ট দেয়।
আমি চাই তুমি সারা জীবন হাসিখুশি থাকো। এটা আমার তোমার প্রতি উইশ। তোমাকে মনে মনে চাই এটা আমার সুপ্ত বাসনা। গোপনে গোপনে চাই এটা। ইচ্ছে করে তোমার বাসায় প্রপোজাল পাঠাই, অনেক স্বপ্নও দেখি। মনে হয় নাটক সিনেমার মত। তোমাকে বলেছি আগেও। যেদিনই মন চায় বলে দেই। আর তোমার উত্তরও আমি জানি। আমার ব্লগে সেটা লিখা আছে। নো মিন্স নো, আই রেস্পেক্ট ইউয়র ট্রু আন্সার। সো আমি এসব নিয়ে তোমাকে বিরক্তও করিনা। করতে চাইও না। আসলে পছন্দের কথা গোপন করি নাই আমি, বলে দিয়েছি। তাই আমি আবারো বলতে চাই আই রেস্পেক্ট ইউয়র ট্রু আন্সার।
সো আসল কথা বলার আগে এসব আবেগের কথা বলার একটা মানে আছে। সেটা হল, আমি সেদিন তোমাকে বুঝাইতে চেয়েছি, "তুমি হয়ত এমন একটা মেয়ে যে কিনা মনের কোনে সুপ্ত বাসনা গুলোকে খুব যত্ন করে ধরে রেখেছো যা হয়ত প্রকাশ করতে চাও না/ করো না।" আমি আবার বুঝাই নি যে আমাকেই সব কথা তোমার বলা লাগবে, আমি তোমার সামান্য একটা ফ্রেন্ড, হয়তো আর কিছুদিন পাশে থাকবো। চলার পথের একটা চাপ্টার মনে করবা। তাই বলে আমি বুঝাইনি যে আমাকেই বলতে হবে তোমার সব কথা। আমি তেমন ভাবছিও না, আশাও করি না, তারপরও তুমি আমাকে অনেক কথা বল, অনেক কথাই বলে ফেল। তোমার সব কথাই আমি মন দিয়ে শুনি, কয়েকবার ভাবি সেসব নিয়ে। আর আমি তোমাকে এমনেই কিছু বলার আগে ১০ বার ভাবি যাতে আমার কোন কথায় মন না খারাপ করে বস। সত্য কথা বলতে কি আমি তোমাকে হারাতে চাই না প্রথম দিন থেকেই বলে এসেছি, তোমাকে যেনো হঠাৎ করে পাওয়া মুল্যবান কিছু।
আবারো বলি,
- ভয় লাগে কোনদিন তুমি মেসেঞ্জার থেকে চলে যাও?
- আমাকে যদি ভুলে যাও?
- কোনদিন যদি আর যোগাযোগ না কর?
- যদি হারিয়ে যাও?
- যদি কোনদিন দেখা না হয়?
- যদি কোনদিন কথা না হয়?
যদি যদি আর যদি.......
খুব কষ্ট পাবো। ভাল থেকো।
সময়ঃ ০৭.১০ সকাল
স্থানঃ আমার বাসা
ক্রাশের সাথে লাস্ট ৬/৭ দিন ইচ্ছে করেই কথা বলছিলাম না, করন আবেগটা বেড়ে যায় কথা বলতে গিয়ে, সেটা কমাচ্ছিলাম বিভিন্ন কাজে বিজি থেকে। কিছু আস্ক করলে হুম/হ্যা/না/ওকে বলে কথা আর বাড়াচ্ছিলাম না।
তো আজ সকালে আমাকে হঠাত জিজ্ঞেস করে-আপনার মন খারাপ? আমি- নাহ, কেন?
ক্রাশ- মনে হল
আমি- নাহ নাহ, আই এম ফাইন।
ক্রাশ-হুম
আমি-হুম।
কেটে গেছে দিন কেটে যাবে রাত! ভালো থেকো।
ক্রাশনামা-০১
তারিখঃ ২৮/০২/২০১৮
সময়ঃ ১২.০৫ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
কালকে রাতে আমার একমাত্র ক্রাশ ফোন দিয়েছিল ২ বার!!! যেটা এই বছরে ২য় বারের মত আমাকে অবাক করে দেয়ার মত।
প্রথমবার অবাক হয়েছিলাম যখন সে কল দেয় ১৫ ফেব্রুয়ারিতে দেশের বাইরে চলে যাবার বেলায়। আর কালকে কল দিল তাও আবার ২ বার! অবাক হবারই ব্যাপার। ক্রাশ বলে কথা!
তো সারাদিন ভাব মেরে রাতে আর না পেরে নক দিলাম-কালকে কল দিছিলা! (কপাল ভাল জিজ্ঞেস করে নাই, ধরেন নাই কেন ফোন?)
হ্যা দিয়েছিলাম স্যারি বলার জন্য! আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, আমি আবার কি করলাম?
তিনি বলেন-নাহ আপনি কিছু করেন নি, অনেক স্ট্রেসে ছিলাম কি না কি বলসি আপনাকে রিয়েলি স্যারি!
আমি আবার আগের চ্যাট হিস্ট্রি চেক করলাম, কাহিনী কি? কে কি করলো?
পরে ভাবলাম, ডেইলি ডেইলি যোগাযোগ করলে একটা ইন্টারেকশন কমে যায়। ৭/৮ দিন অফ রাখেন দেখবেন উলটা আপনার খোজ নিচ্ছে। আসলে আমি নিজেই ৭/৮ দিন নক করি নাই গতকালই বলছিলান, তার প্রতি আবেগটা কমাচ্ছিলাম।
ক্রাশনামা-০২
তারিখঃ ০৮/০৩/২০১৮
সময়ঃ ১০.০০ সকাল
স্থানঃ অফিস
এত কিছুর পরও আমি বেহায়া তার সাথে হাই হ্যালো করি, খোজ খবর নেই, হেন তেন যা তা..আবেগটা কমাইতে গেলেই ৩/৪ দিন পর নক করে বসে। আবেগ আবেগ আর আবেগ। কিছু হবে না জেনেও একটা বাজে ফিলিংস এখনি কাজ করছে। আমি এমন কেন? নিজের উপরই রাগ লাগতেছে।
#ক্রাশনামা-৪
সময়ঃ ১১.৩০ সকাল
স্থানঃ আমার বাসা
কিছুক্ষন আগে ক্রাশ বলে, আপনিও চলে যাবেন বাইরে? প্লিজ ডোন্ট গো। রিকুয়েস্ট করছি যাবেন না। অনেক কষ্ট করা লাগবে আপনার। আমি তো দেশে চলেই আসতেছি। আপনি যখন চলে যাবেন আমি দেশেই থাকবো। তারপর 😞😔 এই ইমো গুলো চ্যাটে দিলো।
এ কিসের আলামত? কেউ একটু বুঝাই বলেন?
#ক্রাশনামা-৫
তারিখঃ ১৬/০৩/২০১৮
সময়ঃ ০২.৩০ ভর দুপুর
স্থানঃ আমার বাসা
ক্রাশের সাথে যেদিন শেষবার দেখা হয় সেবার সে এলার্জিতে ব্যাপকভাবে ভুগছিল। গরু/তেলের খাবারে তার খুব এলার্জি, তাও সে এসব খাবে। আমাদের দুজনেরই সেইম সেইম এলার্জি।
কথা সেটা না। কথা হল সেদিন সে খুব সুন্দর করে চোখে কাজল লাগিয়ে আসছিল আমার সাথে দেখা করবে তাই। বললাম, কাজল দিলে কেনো? চোখে আবার এলার্জি হয়ে যাবে তো। তখন সে বলে: হলে হউক, মেয়েদের চোখে কাজল না থাকলে লাগে নাকি সুন্দর?
আমি আর কিছু বলি নাই। এর পর সবজি মুরগি আর ফ্রাইড রাইসের অর্ডার দিলাম।
গ্রুপে আজকে গরু, কাজল নিয়ে পোস্ট দেখে মনে পড়ে গেল।
#ক্রাশনামা-৬
তারিখঃ ১৬/০৩/২০১৮
সময়ঃ ০২.৩০ ভর দুপুর
স্থানঃ আমার বাসা
বুঝলাম না, ক্রাশে আজ তিনদিন হল ২ বেলা করে গুড মর্নিং আর গুড নাইট বলে যাচ্ছে। ব্যাপারটা বুঝতেছিনা। ব্যাপারটা তাকে জিজ্ঞেস করে নেশা কেটে দিতে চাই না। চলুক না?
#ক্রাশনামা-৭
তারিখঃ ২৭/০৩/২০১৮
সময়ঃ ০৭.১৩ সন্ধ্যা
স্থানঃ আমার বাসা
ক্রাশনামার কথা গুলো কোনদিন আমি আমার ক্রাশকে দেখাই নি। কি হবে দেখিয়ে? আমার দিকের স্বপ্নগুলো নেশার মতই থাকুক। তারপরও আশা করে বসে আছি যদি..
হয়ত কোন একদিন তুমি আমার নাম ধরে ডেকে বলবে, এই যে শুনছেন? অনেক তো আঠার মত লেগে ছিলেন আমার পিছনে, গত কয়েক বছরে একবারো ছেড়ে যান নাই। চান্স দিলে কি বিয়ে করতে পারবেন?
নেশার মতই সব লাগে তোমার কথা। মাঝে মাঝে হার্ট বিট ভালই মাপতে পারো। ভেবে নিয়েছি তাই তুমিই আমার একমাত্র নেশা। আর নেশা কেটে গেলে তুমিও ছুটে যাবে জানি। তাও আশা করে বসে আছি। তুমি যাকে খুজছো আমি তা না, আই নো। তারপরও...
তাই আজকাল আর খুঁজাখুঁজি করি কম তোমাকে। চেষ্টা করি মাঝে মাঝে তোমাকে ছাড়া কিভাবে থাকা যায়। হ্যা, বেশি কষ্ট না, কাজে ডুব মারলেই নেশায় ধরে না। আজকে তোমাকে নিয়ে এই আমার কথা।
#ক্রাশনামা-৮
তারিখঃ ২৩/০৫/২০১৮
সময়ঃ ১১.২৪ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
গত বছর ঠিক এই সময়টায় আমি আর আমার ক্রাশ সারাদিন চ্যাট করে দিন পার করতাম! আর আজ আমাদের এক বছর পর তেমন আর কথা নেই। গত ৫ দিন আগে তিনি আমাকে নক করে বলেন- কি এমন ব্যাস্ততা যে তার মেসেজের আন্সার দেয়া যায় না! তিনি জানেন না যে, আমিও তার সাথে কথা বলতে চাই, কিন্তু কথা বলি না কারন আবেগটা হু হু করে বেড়ে যায়! আবেগ কমাতে চাই। নিজেকে বেশি সস্তা করে দিয়েছিলাম আপনার কাছে, তাই দাম বাড়াচ্ছি বাজারদরের সাথে সমতা করার জন্য।
#ক্রাশনামা-০৯
তারিখঃ ১৭/০৬/২০১৮
সময়ঃ ১০.৫৮ সকাল
স্থানঃ আমার বাসা
সামনের মাসে ক্রাশের দেশে ঘুরতে যাবার প্ল্যান করছিলাম, ক্রাশকে বললাম তুমি কি একদিন আমার জন্য ম্যানেজ করতে পারবে তাহলে একটু ঘুরিয়ে দেখাবে শহরটা! শিউর করেছে ঘুরাবে। তাও কালকে ঈদের দিন সকালে কল করে বলতেছে, কি দেখবেন আর কেএল সিটি, কিছু নাই এখানে। কিন্তু আমার তো সিটি দেখার প্ল্যান না; তোমারে দেখার প্ল্যান। সেটা যদি বুঝতো।
আবার যখন বললাম আমি আবার সিংগাপুরও যাবো ১ দিনের জন্য, মিন মিন করে বলতেছে আমারো যেতে ইচ্ছে করতেছে! পরে আবার বলে আপনি আবার দেশে চলে যাবেন আমি একা কুয়ালালামপুর ফেরত যাব খারাপ লাগবে আমার।
দেখি ভিসা করতে পাসপোর্ট জমা দেয় কিনা সামনের মাসে, দিলে বুঝবো.... তার আগ পর্যন্ত আবেগ কন্ট্রোল!
#ক্রাশনামা-১০
তারিখঃ ০৭/০৪/২০১৯
সময়ঃ ১১.৩০ রাত
স্থানঃ আমার বাসা
যখন তোমার সাথে দেখা করবো বলে তোমার দেশে যাবার সব আয়োজন করলাম, সেদিন হঠাত করে তুমি সারপ্রাইজ দিয়ে দেশে চলে আসলে। দোষটা তোমার দেশের, ভিসা দিতে দেরি করছিল আমাকে। তোমার দেশে গিয়ে দেখা হবে না বলে কি আর দেখা না করে থাকা যায়? তাই নিজের দেশেই দেখা করে জাম্পেশ খাওয়া দাওয়া করলাম দুজন মিলে ফ্লাইটের ২ ঘণ্টা আগে।
তোমার সাথে বুকিত বিনতাং আর কুয়ালা পারলিস হয়ে লাংকাউই যাওয়া হয়নি তো কি হয়েছে, আরেক দিন তো গাঊসিয়া, নিউমার্কেট ঘুরা হয়েছিল। 😂
#ক্রাশনামা-১১
তারিখঃ ২৩/১২/২০১৮
সময়ঃ বেলা ১০.২০ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত
স্থানঃ ধানমন্ডি, কাওরান বাজার বার কাউন্সিল, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, গাউসিয়া, টিএসসি, ধানমন্ডি, সবশেষে আমার বাসা।
ডেইট দেখে বুঝলাম অনেকদিন তোমাকে নিয়ে লিখি না, আসলে মনে মনে অনেক কথা বলি তোমাকে নিয়ে, তাই মেবি লিখা হচ্ছিল না, আরেকটা ব্যাপার হল আমার পিসির সামনে অনেকদিন বসা হয় না। তবে তোমাকে নিয়ে সারা জীবন লিখে গেলেও আমার লিখা শেষ হবে না, কারন তোমাকে নিয়ে ভাবার সময় আমার অনেক, এত কথা মনে আসে যা মুখে হয়ত বলতে কোনদিন পারবো না কিন্তু লিখে রেখে রাখা যায়। আর আমি এরকমই অনেক লিখি, অনেক ভাবি কিন্তু হয়ত মুখে কম বলি। তাই আজকে সময় করে বসলাম, তোমাকে নিয়ে আমার গতকালের অনেক গরম গরম স্মৃতি। লিখে না রাখলে ভুলে যাবো হয়তো, পাপ হবে পাপ। আমি এই দিনের কথা ভুলে যাবো না অবশ্যই। কি না এক দিন কাটালাম আমি। জানি তোমার ভালো লেগেছে। তুমিই যাবার বেলায় বলেছো, ভালো না লাগলে কি তোমাকে আসতে বলতাম আমার সাথে? আহ, তোমার মুখে মধু আছে, এই সেই কথা যা শুনে আমি আসার বেলায় বাসে পুরা রাস্তায় আমার ঠোটের কোনে হাসি লেগেছিল আর আমি নিজে নিজেই হাসছিলাম। মনে হচ্ছিল আমি হাওয়ায় ভাসছিলাম। এটা অন্যরকম ভালোলাগা। নিজেকে মনে হচ্ছিলো আহ আমি মনে হয় ২০ বছরের রণ হয়ে গিয়েছি। একদম পবিত্র ভালোলাগা যাকে বলে।
তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মিনিট আমার ভালোলাগা কাজ করেছে। আমি তোমার কথা মন দিয়ে শুনেছি। অনেক কথা বলেছি, অনেক কষ্টের আলাপ করেছি, তোমার কাছে অন্য মেয়ের আলাপ করেছি, ফ্যামিলি নিয়ে আলাপ করেছি। কেন জানি কালকে তোমাকে সব বলেই দিয়েছি। আমি না তোমার কাছে কিছু লুকাতে পারি না। তোমার কাছেই আমি বার বার সব খুলে বলে দেই সব কিছু। আসলে তোমার কাছে আমার গোপন করার কিছু নাই। আমি যাকে খুব আপন মনে করি তাকে সব বলে দেই, সেই আপন মানুষ আমার আর কেউ নাই বললেই চলে, তুমি ছাড়া চোখ বন্ধ করলে কাউকে তো পাই না আপন ভাবার। সেখানে তোমাকে অনেক কথা বলেছি তাতে আমার কোন আফসোস নাই, তুমি মে বি এই শুনে আমায় অন্য কিছু ভাবতে পারো হয়ত আমায় নিয়ে তোমার অন্য ধারণা হতেও পারে, তারপরও বলবো আমি আজকের রণ সেই শুরুর রণই আছি, আগামিতেও থাকবো। হয়ত মনে মনে ভাবছো আমি তো তোমাকে অন্য কিছু মনে করছি না, যা হয়েছে হয়েছে। তবে কালকের দিনটা আমাদের জন্য অন্য রকম গিয়েছে। শেষবেলায় আমার এত ইচ্ছে হয়েছে তোমাকে বলতে ইচ্ছে করছিল আমার পাশেই বস, গরম লাগবে তাইলে।
এই দিনটার কথা মনে আছে? আমি লিখেছিলাম তোমাকে নিইয়ে আমার স্বপ্নের কথা? তারিখঃ ০৭/০৭/২০১৭, সময়ঃ রাত ৯টা বেজে ২২ মিনিট।
গত কয়েকদিন ধরে তোমাকে নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমার তো ফ্রেন্ড নাই, গফ নাই, বউ নাই, তুমিই আছো। নিজের মাঝে কেমন জানি একটা ফিল। আর সেদিন তো TSC-তে তোমার সাথে একসাথে বসে চা খাওয়া, মাঠে বসে কথা বলা, মামার দোকানে ১০ টাকার কফি চা খেতে খেতে মনে করা ইশ মামা কেন ১০ টাকায় এত কম কফি চা দিলো? আরেকটু দিতো তাহলে আরেকটু তোমাকে পাশে পেতাম।আর আজ সেই দিন আমার স্বপ্ন সত্যি হল। তোমাকে পাশেই পেলাম, ইচ্ছে করেই ১০টাকার কফি চা ২ বার খেলাম। স্বপ্নকে আরেকটু রাঙ্গিয়ে নিলাম যেন তোমাকে আরেকটু বেশি পাশে পাই। কুকুরে ভয়ে আমার হাত চেপে ধরা সব মনে হয়েছে স্বপ্ন। রিক্সা উঠার পর মনের কথা বলেই দিলাম জ্যাম বেশি হলে তোমাকে মনে হয়ে পাশে আরেকটু বেশি পাবো। আমার ইন্টেনশান বুঝতে পেরে তোমার কি হাসি। ধাবা থেকে বের হবার পরেও তোমাকে ছাড়তে চাচ্ছিলাম না, যাবার বেলায় কষ্ট হবে দেখে তাকাই নি আর ফিরে। জানি না তুমি তাকিয়েছো কি না আমার দিকে আর। একটু মন খারাপও করছিল। অনেক মন খারাপ হয়েছিল। যাবার বেলায় খুব ইচ্ছে করছিল জিজ্ঞেস করি হাতটা একটু ধরি? ধাবাতে আমার হাত দেখে বাবার কথা বলছিলে, ইচ্ছে হচ্ছিলো সেখানে বলি ধরে দেখো!
গাউসিয়াতে তোমার কেনাকাটায় আমার বিরক্ত কেন আসবে? তুমি সাথে থাকলে আমার কোনকিছুতেই বিরক্ত নাই। সারাদিন তোমার সাথে থেকে থেকে কত কিছু দেখলাম, করলাম, বুঝলাম। আমার সব কিছু ভালো লেগেছে। তবে এটা ঠিক তোমার আমার ঝগ্রা/মন কষাকষি হয় না। ভালো লাগার মানুষের সাথে আসলে এসব করে মজা নাই। আমার ভালো লাগে তোমাকে হাসাতে। নিজেকে তখন অনেক হ্যাপি মনে হয়। তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত আমার সেই ভালো লেগেছে। এরকম ভালো লাগা সারাটা জীবন থাকতো, হাসতে হাসতে মরে যেতাম। লাইফটাই অন্য রকম হত।
আজকে ভালো লাগার কথা এখানেই থামাচ্ছি। বেশি বললে তো পাগল বলে চালাই দিবা। তবে আসলেই তোমার জন্য আমি পাগলই।
তারিখঃ ১৩/০৪/২০১৯
সময়ঃ গভীর রাত ১.৫৩
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
অনেকদিন তোমার সাথে কথা হচ্ছে না ঠিক মতন, কিন্তু আবেগটা আগের মতই আছে। এমন না যে তোমাকে মিস করি না, তোমাকে কয়েকদিনই বলেছি তোমার সাথে কথা না বললে বুঝো না যে তোমাকে আমি ভুলে গেসি। আর আজকে লিখতে বসে দেখলাম তোমাকে নিয়ে আমার লিখা কথা ছিল সেই লাস্ট যেদিন আমাদের লাস্ট দেখা হয়েছে সেদিন। দিন কিভাবে চলে যায় তাই না? অবাকই লাগে। এর মাঝে আমার জন্মদিন চলে গেল, ভেবেছিলাম তুমি হয়ত নক করবে। করনি। বিজি ছিলে ম্যায়বি। কম্পিউটার নিয়ে আসলে বসা হয়না, আগের মত টাইমও পাই না। লিখা লিখিও হয় না। এরই মাঝে তোমার সাথে আমার ডেইলি কথা হয়। আসলে তোমার সাথে কথা না হলে আমার দিন শুরু হয় না। ঘুম থেকে জেগেই তোমার কথা মনে পড়ে তখনই মর্নিং মেসেজ দেই। কোন কোন দিন তুমি দাও। উফ আমার যা ভালো লাগে তোমার মর্নিং লিখা মেসেজ পড়তে। এরই মাঝে তোমাকে নিয়ে এক জায়গায় কিছু লিখে রেখেছিলাম।
তারিখঃ ০৫/০৪/২০১৯
সময়ঃ গভীর রাত ০১.১০
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
গাউসিয়াতে তোমার কেনাকাটায় আমার বিরক্ত কেন আসবে? তুমি সাথে থাকলে আমার কোন কিছুতেই বিরক্ত নাই, ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারি এভাবে।
তারিখঃ ০৬/০৪/২০১৯
সময়ঃ গভীর রাত ০২.০৯
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
জানি তোমার ফুসকা লাগে ভালো। তাই সারা বছর বিদেশ থাকার পর যখন দেশে আসো তুমি, আর আমার সাথে তোমার দেখা হয়, তখন তোমার জন্য এই সামান্য ফুসকার আয়োজন। 😊😍
তারিখঃ ০৯/০৪/২০১৯
সময়ঃ দুপুর ১২.২৮
স্থানঃ অফিসে বসে WhatsApp এ চ্যাট।
আমিঃ তোমাকে পাওয়া আমার জন্য ভাগ্যের ব্যাপার, তোমার মত এমন মেয়ে একটা পাওয়া অনেক ভাগ্যের। তুমি আমার ফ্রেন্ড হও, আর যাই হও, তোমাকে আমি যেদিন থেকে পেয়েছি সেদিন থেকেই পাগলের মত লাইক করি। তোমাকে না দেখলে খারাপ লাগে, দেখা না হলে মন ছটফট করে, আবার দেখা হলে সেই ছটফটানি কমে শান্তি লাগে। দিনে ২/৪ টা কথা কউ তুমি অনেক ভালো লাগে আমার। ভাল লাগার শেষ নাই আসলে তোমাকে ঘিরে।
তুমিঃ পাগল
আমিঃ সত্য কথা এত বছর তোমার সাথে আমার কথা হয়, পরিচয়, সম্পর্ক এসব ভেবে অবাক হই। কত দিন পার করে ফেললাম আমরা। কত মেমরিজ আমাদের। কত কথা আমাদের। তাই ভালো লাগে এসব ভাবলে। এমন কাউকে আমি লাইফে পাই নাই। তাই আমি বলি সেই কথা বার বার...
তুমিঃ জ্বী পাগল মিয়া, বুঝছি।
আমিঃ তোমার সাথে আমার কাটানো সময়গুল অন্যরকম। এমন করে খুব কম টাইমই লাইফে পাস করেছি। তুমি আমার স্পেশাল পার্ট অফ লাইফ। এত মায়া তোমার উপর তুমি বুঝ কিনা জানি না। অই যে মনের একটা টান লাগে সব সময়। চোখের সামনে তোমার চিন্তা আসে, কিছু করতে গেলে তোমার কথা ভাবি, দোয়া করতে গেলে তোমার জন্য সবার আগে করি। অন্যরকম একটা ভালো লাগা।
তুমিঃ Can"t believe that. You are really mad.
তুমি আমাকে সব কিছুতে বিশ্বাস কর এটা আমার একটা বড় পাওনা। আমার একটাই চাওয়া তোমাকে সারাজীবনে কাছে পাওয়া। আর আফসোসটা এই কারনেই।
তারিখঃ ১৩/০৪/২০১৯
সময়ঃ রাত ১১.৩০
স্থানঃ আমার বাসার আমার রুম।
আজকে ক্রাশ নক করে বলে, হাই, কি করেন? খবর নাই, কি হয়েছে? সিক নাকি?
আমি ২ মিনিট পরেই নক দিলাম, হ্যালো। আমি ওকে আছি।
এরপর তিনি যা বললেন তাতে আমি প্রস্তুত ছিলাম না। বলল, রণ আমার না ভয় করছে, আমাকে কেউ যদি আগুন দিয়ে পুড়াই দেয়? আমার দেশে আসতে ভয় করে। মানুষ অনেক জ্বালায়।
আমার সঙ্গে সঙ্গে বুকটা কেপে গেল। কথা বাড়াতে আর পারলাম না। কিছুক্ষন পর নক দিয়ে বললাম তোমার কিছু হবে না। দেশে আসবা কবে? কিছু বলে নাই আর।
রাগে মনে মনে বলছিলাম, আমি তো ভালা না এবার ভালা নিয়া থাক।
তারিখঃ ০২/১১/২০১৯
সময়ঃ রাত ০৭ঃ ৪৩
স্থানঃ আমার রুম, ভিক্টোরিয়া, বিসি, কানাডা
যেদিন ঢাকা ছাড়লাম তোমার সাথে দেখা আর সেদিন হয়নি, আগের রাতে অনেকক্ষন তোমার হাত ধরে ছিলাম, তুমিও ছাড়োনি, আমিও ছাড়তে চাইছিলাম না। কেনো যেন নির্ভরতা পাচ্ছিলাম তোমাকে ছুঁয়ে। সব খারাপ লাগা নিমিষেই উবে যাচ্ছিল বার বার। যাবার বেলায় তোমার চোখের দিকে তাকাই নাই, তাকালেই কান্না করে দিতাম। তুমি আমার লাইফের কি জিনিষ এটা আমি আর আমার খোদা জানে। তুমি বুঝেও বুঝবে না এসব। তোমাকে বাসায় নামাই দিয়ে সেদিন আমি তোমাকে দেখা যাওয়া পর্যন্ত তাকাই ছিলাম। কেন জানি না। এর পর হেটে বাসায় গেলাম। গুনছিলাম আর কত ঘণ্টা আছে যাবার।
লাস্ট তিন-চার দিন খুব বাজে সময় গিয়েছে, ফ্লাইট জটিলটা নিয়ে আমার খুব মাথা ব্যাথা ছিল। সেসব তুমি যখন শুনলে আমার থেকে, শুধু একটা কথাই বলেছিলে- রণ, আমাকে কি একটাবার জানানো যেত না এত বড় ঘটনা? আমি চুপ ছিলাম। আমার কিছু বলার ছিল না তখন।
যাবার বেলায় আবার বলেছিলে, "না গেলে হয় না?" আমি উত্তর দিতে পারি নাই। মনে হয় না আর দেখা হবে জীবনে এই ভেবেই তোমার সাথে শেষ এক মাস টানা দেখা করেছি সুযোগ পেলেই, তুমিও বাসা থেকে এটা সেটা বলে আমার জন্য, হ্যা শুধু আমার জন্য ঘর থেকে বের হতে। দেখা হলে রিক্সা করে ঘুরতাম। এখানে সেখানে ফুসকা চটপটি সাথে হেটে হেটে তোমাকে বাসা পর্যন্ত এগিয়ে দেয়া, এসব ভাবলে না বুঝছো কান্না পায় মাঝে মাঝে।
গত দুইমাস তোমাকে নিয়ে লিখার টাইম পাই নাই, জানো তো তোমাকে নিয়ে আমি কিছু না কিছু লিখি, তোমাকে মেসেজ না দিতে পারলেও সব কথা লিখে রাখি। আর সব কথা কি মেসেজে দেয়া যায়?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন