সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বন্ধু-৩

বন্ধুত্ব নিয়ে আগেরদিন যেখান থেকে শেষ করেছিলাম আজ সেখান থেকেই আবার শুরু করি। আজকে কিছু নমুনা দিব  বন্ধুত্বের। দেখবেন আপনার সাথেই অনেক কিছু মিলে যাবে। আবার ফেইসবুক ফেক বন্ধুদেরও আজকে খুঁজে পাবেন আশা করি।  আপনার আমার অনেক বন্ধু আছে, কেউ কাছের কেউ কাছে থেকেও দূরের, আবার কেউ দূরের কিন্তু এত কাছের মানুষ যা কল্পনাতেই ভাবা যায়। ফ্রেন্ড মানেই যে সারাক্ষন পাশে থাকা লাগবে কথাটা আমার কাছে দুই পয়সার দাম নাই। ফ্রেন্ড ফ্রেন্ডই। হুম তবে এটা ঠিক একটা খারাপ সময়ে ফ্রেন্ডের সাথে দেখা হলে কথা হলে খারাপ লাগাটা কেটে যায়। এক সময় বন্ধু মানে বুঝতাম না। পরে খেয়াল হল বন্ধু সবাই হয় না। ১০০/১৫০ জনের মাঝে ১/২ জন থেকে যায়। আমি সেটা আগেই বলেছি। আমার এমন কিছু ফ্রেন্ড আছে যাদের সাথে আমার দেখা হয়নি আজ পর্যন্ত। দেখা হবে কিনা সেটাও জানি না।  কিন্তু এমন কোন দিন নাই যে তাদের সাথে ভাবের আদান প্রদান হয়নি। ওই যে একটা কথা বলছিলাম  ফ্রেন্ড মানেই যে সারাক্ষন পাশে থাকা লাগবে সেটা কিন্তু নয়। আবার কিছু কিছু ফ্রেন্ড এর সাথে আমার আজকে পর্যন্ত ১/২ বার দেখা হয়েছে। তারপরও তো ফ্রেন্ডশিপ টিকে আছে, থাকবে।  ...

বন্ধু-২

বন্ধু নিয়ে বলতে গেলে বলে শেষ করা যাবে না আপাতত, তাই আরেক দফা নিয়ে বসলাম আজকে। তো বন্ধুদের কে কেমন হয় তার কিছু নমুনা আজকে দিবো, কিন্তু ব্যবহারিক দিক দিয়ে বন্ধুত্বের তুলনা করলে কয়েক হাজারবার চিন্তা করা লাগবে নিজে কি করেছি বন্ধুদের সাথে।  আমি সহজ বাংলায় বলতে ভালোবাসি, শুনতে ভালোবাসি, তাই আমার লিখা সাধারণ। কথা গুলাও সাধারণ হয়ে থাকে। আমার কাছে বন্ধুত্ব অনেক কিছু, এটা কিসের সাথে তুলনা দেয়া যায় জানা নেই আমার।  ইদানিং কিছু কিছু বন্ধুরা দূরে সরে গিয়েছে, আবার নিজেই কারো সাথে দূরত্ব বজায় রেখে নিজে চলছি, কেউ সময়ের কারনে বন্ধুত্ব রক্ষা করতে পারছে না, কিন্তু মাঝে মাঝে ঠিকই খোঁজ খবর নেয়, তখন নিজের কাছেই লজ্জা লাগে আমিও তো খবর নেই নাই।   আমার নিজের কথা বললে আমি ইউনিভার্সিটিতে যার সাথে কোনদিন কোন ক্লাস করি নাই, কথা বলি নাই, দূর থেকে দেখতাম, সে একটা সময় আমার কলিগ প্লাস বন্ধু হয়ে যাবে ভাবি নাই, আবার পুরাতন চাকরি ছেঁড়ে নতুন চাকরিতে আসার পর কিছু কলিগ বন্ধু হয়ে যাবে সেটাও ভাবি নাই।  আমার কিছু ট্রাভেলমেট আছে যাদের সাথে আমি নিজে গিয়ে সেইফ ফিল করি, আরাম পাই, মজা পাই। মজায় ম...

Baahubali: The Conclusion - Plot Summary

Baahubali - The Conclusion Baahubali The Conclusion: As Baahubali-the beginning ends with the betrayal of Kattappa to Amarendra Baahubali, it is now being predicted that Sivagami orders Kattappa to Kill Baahubali since he married Devasena without her consent. After Baahubali's love and marriage with Devasena, differences between Baahubali and Sivagami creates space for Bhallaladeva and how he betrays Baahubali and Sivagami to acquire the throne is the rest of the story which is to be followed by revenge of Shivudu and Devasena on Bhalladeva.

Baahubali: The Beginning - Plot Summary

Baahubali: The Beginning Plot Summary When Sanga and her husband, part of a tribe living around the province of Mahismathi, save a drowning infant, little do they know the background of the infant or what the future holds for him. The kid grows up to as Shivudu, a free-spirit wanting to explore the mountains and in the process learns of his roots and then realizes the whole purpose of his life and ends up confronting the mighty Bhallala Deva! It's a tale of two cousins in the Kingdom of Mahispati, India. Balla fights his way with ccousin Bahuballi for the throne. Young Sivudu grows in the tribes and travels to the distant lands above the waterfalls to fall in love with the beautiful Tamana, the tribal warrior and helps in her quest to rescue Devasena a prisoner from the claws of King Balla.In this quest he finds out that the legendary King Bahuballi is his father and Devasena the prisoner is his mother from the slave commander in chief katappa of King Balla. Ka...

বন্ধু

বন্ধু। একটা শব্দ যার মিনিং অনেক বড়। হ্যা বন্ধুদের নিয়ে আজকে ভাবতে বসলাম, ভাবলাম জীবনের তো এত গুলো বছর পার করে দিলাম, কি পেলাম কি দিলাম তাদের? অনেকে ভাববেন বন্ধুত্বে আবার চাওয়া পাওয়া কি? নিস্বার্থ বন্ধুত্ব হবার কথা, কি সব চাওয়া পাওয়া থাকবে এই হালখাতায়? সেটা আমিও ভেবেছি, আমার জীবনে বন্ধু অনেক এসেছে, গিয়েছে, জ্বলে পুড়ে কিছু রয়েও গিয়েছে, কয়েক দিন আগে এক ভাই দেখলাম ফেইসবুকেই লিখলো ২৬/২৭ বছরে এসে নতুন করে কারো সাথে বন্ধুত্ব করা আসলেই টাফ। যেই বয়সটা আমরা পার করছি এখানে কেউ বিয়ে করে সংসার করছে, কেউ কেউ আব্বা আম্মাও হয়ে গিয়েছে, কেউ এখনো পড়ছে, কেউ চাকরি করছে, কেউ প্রমোশান পেয়ে অনেক বড় পোস্টে চলে গিয়েছে, কেউ জুনিয়র রয়ে গিয়েছে, কেউ এখনো বেকার, কেউ বিদেশ যাবার ট্রাই করছে, কেউ করছে ব্যবসা, কেউ ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে গিয়েছে, কেউ বা চলে গিয়েছে দুনিয়া ছেঁড়ে। বন্ধুত্ব শুরু হয় জন্মের পর থেকেই মা বাবার সাথে থেকে, তারপর খেলার বয়স থেকে, পাড়ায় খেলার সময় এলাকা থেকে কিছু পাশের বাড়ির বন্ধু বের হয়, স্কুলে গেলে ১০ বছরে অনেক বন্ধু হয়, কলেজে ২ বছরে নতুন কেউ আসে, আবার সেই বন্ধুত্ব পাকা হবার আগেই কলেজ ছাড়া ...

পাথরের মিসাইল ছোড়েন বাহুবলী

শাহরুখ-সলমন নেই। রয়েছেন দক্ষিণ ভারতের স্টারেরা। তাতেই প্রথম সপ্তাহে ২৫০ কোটি। লিখছেন গৌতম চক্রবর্তী এই রকম রথ ‘বেনহার’ বা ‘টেন কম্যান্ডমেন্টস’ ছবিতেও দেখা যায়নি। সামনে দ্রুত গতিতে ছুটে যাওয়া ঘোড়া, তার পর এয়ারোডাইনামিক্সের নীতি মেনে লম্বা, বাঁকানো এক কাঠের ফলা, পিছনে দাঁড়িয়ে অজেয় যোদ্ধা ‘বাহুবলী’। ঘোড়ার আগে হেলিকপ্টারের পাখার মতো দেখতে কাঁটার বল। রথ যত ছোটে, কাঁটার পাখা তত জোরে ঘুরতে ঘুরতে আগুয়ান শত্রুদের কচুকাটা করে দেয়। মাহিষ্মতী বনাম কালাকেয়া রাজ্যের এই যুদ্ধে আরও কত অস্ত্রই যে ব্যবহৃত হয়েছিল! নিউক্লিয়ার মিসাইল ছিল না, কিন্তু বড় বড় পাথর তো ছিল! প্যারাস্যুটের মতো কাপড়ের দু’পাশে পাথরের গোলা বেঁধে দেওয়া, নির্ভুল লক্ষ্যে উড়ে যাচ্ছে সেই পাথর-বাঁধা কাপড়, উড়তে উড়তে এক সময় সে সটান শত্রুসেনার ওপর নেমে আসে। কয়েকশো লোক তখনই আহত হয়ে পপাত ধরণীতলে! পাথরবাঁধা কাপড় কী ভাবে স্কাড মিসাইলের মতো নির্ভুল লক্ষ্যে উড়ে যায়, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, প্লবতা ইত্যাদি সেখানে কী ভাবে কাজ করে ইত্যাদি বালখিল্য পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্ন তুলে বিব্রত করবেন না। রাজামৌলির পরিচালনায় ২৫০ কোটি টাকায় তৈরি, ভার...

টিউশনি

দীর্ঘ পাঁচ বছর টিউশনির সারাংশ হলো,তুমি যেই বাসার সামনে পনের মিনিট দাড়ায় থাকার পর ঘরের মিনিমাম ৩জন মানুষ দরজার ফুটা দিয়ে দেখে ভেতরে গিয়ে চিল্লায় বলবে,"বুয়া,মারিয়ার 'ঠিচ্যার' এসেছে।'ডোউর' টা খুলে দাও তো" ওই বাসায় টিউশনি করানোর চেয়ে এই বাসায় পড়ানো টা অনেক গুণ আন্তরিক এবং আনন্দদায়ক। যেই বাসায় নক করার সাথেই দরজা খুলে দিয়ে ছাত্রের মা ডাক দিবে,"ওডা ইরফাইন্যা তোর মষ্টর আইস্যে দে,ফ্রিজের তুন ঠান্ডা ফানির বোতল উগ্যা বাইর গরি দে"।

ভালোবাসা টালোবাসা সব মিথ্যা

কখনও ভালোবেসেছেন? প্রশ্নটির উত্তর একেকজন একেক রকম দেয়। কেউ বলে ওঠে, আরে ভাই! ভালোবাসা ছাড়া কি আপনাদের আর কোন টপিক নেই? সারাদিন ভালোবাসা আর ভালোবাসা। এই পুরা জাতিটারে খাইলো এই প্রেম প্রীতি। কেউ আবার মুচকি হেসে এড়িয়ে যায় প্রশ্নটি। কি জানি ভাবে আবার মুচকি হাসে। তারা ভালোবাসা গোপন রাখতে পছন্দ করে। কেউ গড় গড় করে সব বলে ফেলে, এই চত্বরে বসে প্রেম করেছি, পৌছে দিতাম বাড়ি একটু সন্ধ্যা হলেই। একদিন এক পাগল রিকশা থামালো, ভয়ে সে কি কান্না! কেউ বলে, এই সব ভালোবাসা টালোবাসা সব মিথ্যা। তাদের চোখে স্পষ্ট ঘৃনা কারো প্রতি। স্বচ্ছ অভিমান। কিন্তু একটা নিরব প্রহরে, কিংবা একাকী দুপুর কিংবা বিকালে, একটু সন্ধ্যায় তারা উদাস হয়ে কিছু ভাবে। সবার জীবনের জিনিষটি এসেছে। কেউ টিএসসির সিড়িতে বসে একসাথে চাঁদ দেখেছে। টিএসসির বেঞ্চিতে বসে রং চায়ে চুমুক দিয়েছে। রাত ভোর হয়ে গেছে কথা বলতে বলতে। তারা সবাই ওয়াদা করেছে একসাথে জীবন কাটানোর। বাথরুমের স্যান্ডেল আর কত পড়বে বলে খ্যাচ খ্যাচ করেছে। পাশে বসিয়ে হাত ধরে নিশ্চিন্তে সংসদ ভবনের সামনে সিগারেট টেনেছে। বাকিদল থাকে কপালপোড়া, তারা ধরে রাখতে পারে না কিছু। কোন না কোন ...