সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2017 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গোলাপ, বকুল, মোমবাতি আর জোনাকি

আজ আমার বিয়ে। অভি বলেছে প্রথম রাতে আমরা কিছুতেই ঘুমাব না। প্রথম রাতটা নিয়ে আমাদের অনেক প্ল্যান। বিছানায় গোলাপের পাপড়ি থাকবে ঠিকই। কিন্তু মেঝেতে ছড়ানো থাকবে বকুল। বকুলের গন্ধটা দূর থেকে মিষ্টি। কিন্তু কাছে আনলে অসহ্য রকম তীব্র। তাই ওটাকে মেঝেতে রাখা। ঘর অন্ধকার করা যাবে না। মোমবাতি জ্বলবে সারা ঘরে। প্রথমে বলেছিল জোনাকি পোকা জমিয়ে রাখবে। বিয়ের একমাস আগে ও জঙ্গল ভ্রমনে যাবে শুধুমাত্র জোনাকি পোকা সংগ্রহ করতে। বাক্স বাক্স জোনাকি পোকা ধরে আনবে। তারপর বন্ধ ঘরে অন্ধকারে খুলে দিবে সবগুলো বাক্স। আমি হেসে বললাম, জোনাকি পোকা কিন্তু মাছির মতো সাইজে। স্বভাবেও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয় না। ধরো আমরা বসে আছি খাটের ওপর। সারা ঘরের সব জোনাকি আমাদের হাতে-পায়ে-গায়ে বসছে; নাকের ভিতর কানের ভিতর ঢুকে যাচ্ছে- তখন কী হবে? - তাই তো! মশারি খাটিয়ে দিলে হবে না? - বাসর ঘরে পোকার ভয়ে মশারির ভিতর ঢুকে থাকব। মানে হয় কোন? - তাহলে জোনাকি বাদ। মোমবাতিই জ্বলুক সারা ঘরে। - সেটা মন্দ নয়। কিন্তু হঠাৎ যদি মোমবাতি পড়ে গিয়ে জানালার পর্দা কিংবা বিছানার চাদরে আগুন ধরে যায়! তখন কী হবে? -ধুর ছাই! আগুন ধরবে কেন! আমরা কী মরে...

ধাক্কা

জাস্ট ফ্যামিলির দিকে তাকিয়ে আমি এই বিয়ে করতে যাচ্ছি। বিলিভ কর তোমার মত করে আমি জিবনে কখনও কোনদিন কাউকে ভালোবাসতে পারবোনা। আমি জানি ও কি রকম ভালো, আমি জানি ও সত্যি বলছে। কিন্তু মনটা তো তাও মানে না। যেভাবে পারি, যতশক্তি দিয়ে পারি সব কিছু দুমড়ে মুচড়ে ফেলে ওকে আমার কাছে রেখে দিতে মন চায়! ও শুধু চলে যাবার জন্য আমার অনুমতির অপেক্ষা করছে। আমি হা করে তাকিয়ে থাকি, চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে। কি বলব বুঝতেছিনা। অবশেষে বললাম, নাহ আমি তোমাকে ছাড়বোনা। আমি পারবনা, আমি জানি আমি অনেক শক্ত একটা ছেলে, কিন্তু আমি এটা পারবোনা। ও দুহাত দিয়ে আমাকে ঝাকি মেরে বলে তাহলে দেখ। আমি ফেলফেল করে ওর দিকে তাকিয়ে দেখি ও জামার হাতা গুটিয়ে কাধ পর্যন্ত উঠাচ্ছে। আমাকে দেখাল ওর শরীরে কি বিষম দাগ! আমার জন্য ও এমনভাবে মার খেল! কিছু বলতে পারছিনা। চোখ দিয়ে পানির প্রবাহ আরো বেড়ে গেল। তারপর ও বলল, তুমি কি আরো দাগ দেখতে চাও? আমার সারা শরীরে দাগ। আর তোমার অনুমতি না পেলে আমি কাউকেই বিয়ে করতে পারবনা, যার ফলাফল হবে আরো মারের দাগ পড়বে আমার শরীরে। কি বলব বুঝতে পারছিলাম নাহ। হঠাত মাথায় আগুন চড়ে গেল। ওকে এক ধাক্কায় সরিয়ে দিলাম, ওর দিক...

ভালবাসার কথা

আমি ভুলব না সেই পড়ন্ত দুপুরে তোমার হাত ধরে সাগর পাড়ে বসে থাকা সেই ঝাউবনগুলোর নিচে। আসার পথে চেয়ে থাকা দুজন দুজনের চোখের দিকে আগামীকাল আর দেখবোনা বলে। আবার কবে দেখা হবে সেই চিন্তা আজকেই করে ফেলা। ফিরে যাবার বেলায় আমার দিকে তাকিয়ে থাকা চোখগুলো আমাকে আজও মনে করিয়ে দিয়ে যায় ভালবাসা সাময়িক। ঝাউবনগুলো হয়ে থাকবে আমাদের সাক্ষাত স্মৃতি। আমি ভুলতে না পারলেও কালের ঝাপটায় তুমি অনেক কিছুই ভুলেছো। বস্তবতা আমাকে অনেক কিছু জয় করতে শিখিয়ে দিয়েছে, সেই থেকে পাহাড় জয় আমার কাছে নেশা। তোমার চোখে শেষ ঠিকানা মনে করে আমার পথের সেই শুরু, দিন অনেক বদলে গিয়েছে, চোখের দেখা আর মনের পাওয়া এক যে না সেটা বুঝে ফেলার পর আমি শুধু ঝাউবনগুলোর কথা ভাবতাম আবার যদি একসাথে বসতে পারতাম আমরা। ইদানিং মাঝে মাঝে গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে গিয়ে কেবল হাসি এসব মনে করে। ভেতর থেকে মানুষের মন খুব খারাপ হলে মানুষ অসহায়ের মত ঘুমায়। আশা নিরাশার জালে আমি বার বার জড়িয়েছিলাম, সেই তাড়না থেকে আজও আমি বার বার সাগরকে না বলে দিয়েছি। আর যখন গর্জে উঠবে বজ্রপাত, ভেবো ওই আলোর ভিতর ঝলসে উঠছি। তীব্র ঝোড়ো হাওয়ায় পাবে আমাকে।

রেণুকা মারা গেছে

প্রচন্ড মাথা ব্যথা শফিকের। কপালের দুপাশের দুটো রগ ক্ষণেক্ষণে তিরতির করে লাফিয়ে জানান দিচ্ছে ব্যাপারটা নিয়ে এইবার সিরিয়াসলি ভাবা দরকার.... চশমাটা না বদলালে এবার হচ্ছেই না! চশমাটা নাহয় বদল করলো, কিন্তু মাথার ভিতরে যে টেনশনটা কাজ করছে সেটা কিভাবে বদল করবে? . এইসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতেই ফজরের আজান পড়লো। রেণুকা ঘুমিয়ে আছে, প্রশান্তির ঘুম। এলোমেলো চুল ছড়িয়ে আছে বালিশে, মুখে লেপটে আছে মায়াবী হাসি। মেয়েটাকে দেখলে মনেই হয় না আর কিছুদিন পরে মেয়েটা মারা যাবে। যথাসম্ভব কম শব্দ করে ওজু করলো শফিক যাতে রেণুকার এতোটুকু ডিস্টার্ব না হয়। . মোনাজাত গিয়ে চোখের জলে আল্লাহ্‌কে জিজ্ঞাসা করলো কেন এতো নাটক? কি দরকার ছিলো এতো নাটকের? ভালোই তো ছিলো ওরা। স্কুলটায় ক্লাস করিয়ে দুটো টিউশনি করে বিকেলের আগেই বাসায় ফিরতো। যা টাকা পেতো ভালো করেই চলে যেতো ওদের। দেরি করলে রেণুকা বলতো এতো টাকা তো আমার দরকার নেই, আমার তো দরকার তোমাকে, তোমার সময়। দু চারটে টাকার জন্য আমাকে সময় দিচ্ছো না, আমি মরে গেলে করবা কি তখন এতো টাকা দিয়ে? একটু সময় তো দাও, একটু পাত্তা তো দাও! . সেই রেণুকা আজ মারা যাচ্ছে। শফিক চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে সেই...

আজ সেই মেয়েটির বিয়ে

৩ সপ্তাহ আগে আমার গার্লফ্রেন্ড এর বিয়ে ছিল! কিন্তু বিয়ে টা হয়নি। কারন, বিয়ের দিন আমি তাকে তুলে নিয়ে আসছিলাম।এবং কোর্ট ম্যারেজ করে ফেলি দুইজন! আমার বাবা মা বিষয়টা মেনে নিল না! বিধায় আমাকে বাসা থেকে বের করে দিল। অসহায় দুইটা প্রাণ ঘুরতেছিলাম.....! আমি ভাবলাম যত কষ্টই হোক,মেঘাকে একটা থাকার ব্যবস্থা আমাকে করে দিতেই হবে! হাতে কিছু টাকা ছিল।ঐই টাকা দিয়ে মেঘাকে একটা মহিলা মেসে তুলে দিলাম! আমার কাছে প্রায় সব টাকা শেষ। কথায় আছে বিপদে পড়লে বন্ধু চেনা যায়। একজন ও আমার পাশে এসে দাঁড়ায় নাই! কিনা করছি তাদের জন্য। যাই হোক, এটাই হয়ত পৃথিবীর নিয়ম।বড্ড স্বার্থবাদী এই পৃথিবীটা! এই দিকে রাত হয়ে গেল। হাতে একটা টাকাও নাই। সখের মোবাইল ফোনটা বেঁচে দিলাম রাস্তার টোকাই এর কাছে! টাকা হাতে আছে,কিন্তু খাইতে ইচ্ছা করছে না! ভাবছিলাম আমি যদি একটু কষ্ট করি, তাহলে মেঘা ভাল থাকবে। এরমধ্যে আমি একটা থার্ড ক্লাস মেসে উঠলাম! অন্তত আকাশের উপর ছাদ টা পেয়েছিলাম! খুব কষ্টে একটা হোটেলে ওয়েটারের চাকরী পেলাম! নিজেকে প্রশ্ন করলাম টাকাই কি সব কিছু? একদিন দুপুরে,হোটেল এ ১০ জন ফরেনার আসল! কিন্তু কেউ তাদের ...

ইতিহাসের এই দিনে...

মেয়েটা খুব বিজি বিয়ের কেনাকাটা নিয়ে। ছেলেটার কোন ব্যস্ততা নেই। ছেলেটা আকাশে তাকিয়ে মেঘ দেখে, বৃষ্টি হলে দুহাত প্রসারিত করে বৃষ্টি স্পর্শ করে। তারপর সেই বৃষ্টিস্নাত হাতটা মুখে মাখে। ছেলেটা নদীর ধারে যায়, নদী দেখে। মেয়েটা মহাব্যস্ত জেনেও ছেলেটা ফোন দেয়। ব্যস্ত মেয়েটা কি ফোন ধরবে? ওমা! ধরলোইতো! -একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। -কী কথা? -কী করো? -বিয়ের কেনাকাটা। -শাড়ি? -শাড়ি, গহনা সব। -আর? -উফ! বললামতো সব। -বিরক্ত হচ্ছো? -না। -উফ! বলছো কেন? -উফ! ঠিক আছে আর বলবোনা। তোমার গুরুত্বপূর্ণ কথাটা বলো। -আমি জানি বিয়েটা তোমাদের বাড়িতে হচ্ছেনা। -তো? কোথায় হচ্ছে জানতে চাও? -না না। খবরদার আমাকে বলবানা। -কেন? -আমি যদি বিয়ের সময় হাজির হয়ে যাই? যদি ওখানে গিয়ে পাগলামী করি? যদি তোমাকে টানাহ্যাঁচরা করি? -তুমি করবানা আমি জানি। -না না। আমিতো পাগল। পাগলরা কখন কী করে তা তারা নিজেরাও জানেনা। -এটাই তোমার গুরুত্বপূর্ণ কথা? -না। -তো? -আজকের পর আমি যদি তোমাকে ফোন দেই তাহলে তুমি রিসিভ করবানা। -আচ্ছা। -শোনোনা, আমি কিন্তু বারবার ফোন দেবো। আমার নিজের ভেতর কোন কন্ট্রোল থাকবেনা। কিন্তু তুমি ফোন রিসিভ ...

চুমু

চুমু খাওয়া বা বুকের উপর পড়ে থাকাটা ভালবাসার অংশ হলেও আরো কিছু স্পর্শ আছে যা তোমাকে শুন্যে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। যার অর্থ শুধু কামনা না, ভালবাসি তোমাকে। প্রচন্ড ভালবাসি। তোমার ভালবাসার মানুষটা যখন তোমার সামনে শাড়ি পড়া, তার পেছনে দাঁড়িয়ে আঁচল সরিয়ে পিঠে একটা চুমু খাওয়ার মানে জানো? তোমার চুমু তাকে বলে দিচ্ছে তুমি তার ভরসা।  তোমার ঠোঁট তার পিঠ ছুতেই সারা শরীর কেঁপে উঠবে। সে জানবে তার সামনে হাজার বাঁধা এলেও তার পিঠের উপর তোমার নিশ্বাস আছে। এক রাশ ভরসা দিয়ে তুমি তাকে আগলে রেখেছ। তোমার ভালবাসা যখন তোমার সামনে স্লীভ লেস ব্লাউজ পড়া, তুমি তখন তার পেছনে দাঁড়িয়ে কাঁধে হাত রাখ। বাহুতে নাক ঘষে দাও। হাতের তালুতে পুরো হাত টা ছুঁয়ে দাও। এর মানে কি জানো? সে তোমার আমানত। তোমার সর্বস্ব জুড়ে শুধুইই সে । হাতের উলটো পিঠে চুমু খাওয়ার মানে জানো? ইউ আর মাই প্রিন্সেস। নট আই যাস্ট লাভ ইউ।  আই রিস্পেক্ট ইউ মোর। পেটের উপর নাভির ডান পাশে চুমু খাওয়ার মানে জানো? আমার অস্তিত্ব তোমার মাঝে। আমি স্বামী, আমি বাবা, আমি সংসার। ঘাড় থেকে চুল সরিয়ে কানের পেছনে চুমু খাওয়ার মানে জানো? প্রচন্ড আদর চাই। তোমার ভালবাস...

রাজকীয় বউ

নিতু আজ লাল রঙের ঢাকায় জামদানি পড়েছে। শাড়ীর আচল আর পারে গোল্ডেন কালারের সুতা দিয়ে কাজ করা। পুরো শাড়ীতে একটা রাজকীয় ভাব আছে। বাংলা করে শাড়ী পড়ায় আরো বেশী রাজকীয় লাগছে নিতুকে। গলায় ভারী ডিজাইনের কন্ঠহার,শুধু কন্ঠহার নয় একটা বেশ বড় আর ভারী ডিজাইনের সীতা হারও পড়েছে। কানে ঝুমকো, এক হাতে বেশ মোটা দুটো রুলি বালা, দুই বালার মাঝে গোল্ডেন কালারের ডজন খানেক চিকন চিকন চুড়ি। অন্য হাতে বেশ ভারী ডিজাইনের চুড়। কোমড়ে একটা সোনার বিছা। নিতু এমনিতে মেকআপ,সাজগোজ একেবারেই পছন্দ করে না। কিন্তুু তবুও আজ মুখে বেশ ভারী মেকআপ করেছে। মেট এর লাল লিপস্টিকে আজ নিতুর ঠোট দুটো আরো আকর্ষনীয় লাগছে। চুলগুলো একপাশে কার্ল করেছে, মাঝখানে সিথি সেই সিথিতে ভারী ডিজাইনের টিকলি পড়েছে। চুলের অন্য পাশে জড়িয়েছে বেলীফুলের মালা।শাড়ীর আচল কিছুটা মাথার উপরে ক্লিপ দিয়ে আটকানো। নিতুর মেহেন্দি রাঙা হাতদুটো বেশ লাগছে। সব মিলিয়ে নিতু আজ রাজকীয় বউ। রাজকীয় বউ তো আজ হতেই হতো। নিতুর একমাত্র ননদের বিয়ে আজ। শাশুড়ির কড়া নির্দেশ সুন্দর করে সাজতে হবে। দেখে যেন মনে হয় পুরান ঢাকার খানদানি বউ। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজের দিক থেকে চোখ ফেরাতে প...

তোমাকে নিয়ে আমার কথা

তারিখঃ ০৭/০৭/২০১৭ সময়ঃ রাত ৮টা বেজে ০৩ মিনিট।  স্থানঃ আমার বাসা।  তোমার সাথে আমার পরিচয় রোজার মাঝে। হটাত করে আমি একদিন নক করে বসলাম তোমাকে, ছবিতে যেরকম দেখা যাচ্ছে সেরকম দেখতে তুমি নও, সেদিনই মনে হচ্ছিল। পরে ৪/৫ দিন যাবার পর একদিন শরম করে জিজ্ঞেসা করলাম আচ্ছা তোমার ছবি দাও না গো? তুমি বললে যে ছবিটা তোমারি। আমি আবার ভালো করে দেখলাম। তুমি আবার ৩ সেকেন্ডের জন্যে দিলে নতুন ছবি। সেই চোখ আমি ভুলিনি এখনো। সাথে সাথে গাইলাম শিরোনামহীনের বিখ্যাত গান "যেখানে তোমার চোখ খুনি আমি খুন হই প্রতিদিন" দিনে দিনে কথা বলে বলে বুঝতে পারলাম তোমাকে যেনো হঠাৎ করে পাওয়া মুল্যবান কিছু।  তুমি অবশ্য তোমাকে নিয়ে একটা কথাও বল নাই, মনের ভুলে যখন তুমি কিছু বলে ফেলো আমি খুব মনযোগ দিয়ে শুনে নেই। যেন ভুলে না যাই। আর আমার আরেক রোগ হচ্ছে ভুলে যাওয়া রোগ। প্রথম দিকে খেয়াল করবা যে আমি অনেক কিছু তোমাকে বার বার জিজ্ঞেস করতাম, কারন আসলে ভুলে যাওয়া। অনেক বিরক্ত হতা অবশ্য। আমি বুঝতে পারতাম। ঝাড়ি দিতে। আমি আর জিজ্ঞেস করতাম না তখন। তোমাকে রাগাতে আমার ভালোই লাগে না। তোমাকে হাসি খুশি দেখলেই আমার মনট...